Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

‘হাসপাতালে ভর্তি রোগীর’ নেতৃত্বে হামলা, মুক্তিযোদ্ধাসহ ৩ জন আহত

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ পিএম

‘হাসপাতালে ভর্তি রোগীর’ নেতৃত্বে হামলা, মুক্তিযোদ্ধাসহ ৩ জন আহত

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জমি ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ তিনজনকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো হয়।

বুধবার (৩ জুন) সকালে উপজেলার মাছুমাবাদ (মিঠাব) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ ভুঁইয়া, তার ছেলে জুম্মন ভুঁইয়া ও সুমন ভুঁইয়ার অভিযোগ, একই এলাকার মৃত আব্দুল হাই ভুঁইয়ার ছেলে সোহেল ভুঁইয়া এবং তার লোকজন তাদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদার টাকা না দিলে যেকোনো সময় হামলা চালানো হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

দাবিকৃত টাকা না পেয়ে সোমবার (১ জুন) রাত ১০টার দিকে সোহেল ভুঁইয়া, তুষার, সাদ্দাম, রোমানসহ অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জন জুম্মন ভুঁইয়ার মুদি দোকানে হামলা চালায়। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদকে গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর হামলাকারী সোহেল নিজেকে আহত দেখিয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। তবে সরেজমিন হাসপাতাল পরিদর্শনে তাকে ভর্তি অবস্থায় পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের নথিতে ভর্তি দেখানো হলেও বাস্তবে তার উপস্থিতির কোনো প্রমাণ মেলেনি।

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক বাদল কুমার সাহা বলেন, সোহেল ভুঁইয়া নামের এক রোগী স্বাভাবিক আঘাত নিয়ে ভর্তি হন। পরে তাকে আর হাসপাতালে পাওয়া যায়নি; ধারণা করা হচ্ছে তিনি হাসপাতাল থেকে চলে গেছেন।

বুধবার সকালে সোহেলের নেতৃত্বে একই পক্ষ আবারও মুক্তিযোদ্ধা বাছেদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাছেদ ভুঁইয়া, জুম্মন ভুঁইয়া ও সুমন ভুঁইয়াকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, চাঁদার টাকা না দেওয়ায় হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, দুইপক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে।  এ বিষয়ে উভয়পক্ষই থানায় অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .