Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে কলেজছাত্রীর অবস্থান

Icon

সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০১:০১ পিএম

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে কলেজছাত্রীর অবস্থান

ভুক্তভোগী

পাবনার সুজানগরে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে সাতদিন ধরে অবস্থান করছেন এক কলেজছাত্রী। প্রেমিকার অবস্থানের খবরে পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত তাহজিদ হোসাইন বিপ্লব মোল্লা। 

শনিবার (৬ জুন ) এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের উলাট মোল্লাপাড়া গ্রামে ভুক্তভোগী ওই কলেজ শিক্ষার্থীকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। 

তাহজিদ হোসাইন বিপ্লব মোল্লা উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের উলাট মোল্লাপাড়ার মালয়েশিয়া প্রবাসী শফি মোল্লার ছেলে। তিনি পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এবং প্রেমিকা সুজানগর উপজেলার বোনকোলা কলেজের শিক্ষার্থী।

রোববার থেকে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেন ভুক্তভোগী। তিনি জানান, প্রায় দুই বছর আগে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিপ্লব বিয়ের আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। তারা একসঙ্গে ঘুরতে যান এবং সময় কাটানোর ছবিসহ প্রয়োজনীয় সব প্রমাণ রয়েছে। এখন বিপ্লব বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। এতে চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছেন তিনি। 

তিনি বলেন, আমার সম্মান রক্ষার জন্য তার সঙ্গে বিয়ে ছাড়া আর কোনো পথ নেই। বিপ্লব বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও জানান এ কলেজছাত্রী। 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, আমার মেয়েকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সর্বনাশ করেছে। এখন বিয়ে না করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সমাজ সেবক সান্টু মোল্লা জানান, ছেলে-মেয়ে দুজনই আমাদের গ্রামের। তাদের বিষয়টি জানার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং উভয় পরিবার ও তাদের আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে মীমাংসা বৈঠকের মাধ্যমে এক সপ্তাহের মধ্যে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এখন জানতে পারছি ছেলে পলাতক রয়েছে। 

বিপ্লবের মা বিউটি খাতুন জানান, তার ছেলে পলাতক থাকায় বাড়িতে অবস্থান করা মেয়েটিকে বাধ্য হয়ে খাবার এবং ঘরে থাকার ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) সাদিক আহমেদ জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .