Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

ছবি তোলা নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

Icon

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম

ছবি তোলা নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আল মুহতাছিম সাইব

শেরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আল মুহতাছিম সাইব (১৭) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে সাইবের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা।

নিহত সাইব শেরপুর পৌর এলাকার দমদমা কালীগঞ্জ মহল্লার শিক্ষক দম্পতি আব্দুল মালেক ও রেবেকা সুলতানার একমাত্র ছেলে। সে শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। রেবেকা সুলতানা সম্প্রতি ফসিহ উল উলুম দাখিল মাদ্রাসা থেকে অবসর নিয়েছেন। তার বাবা আব্দুল মালেক জেলার শ্রীবরদী উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে বিকালে শহরের তাতালপুর মহল্লার বিএম রোড এলাকায় একটি গাছের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাইব। এ সময় নাঈম মিয়া (১৯), পাপ্পু (২০), স্বপন (২১) ও আরমান (২০) সেখানে ছবি তোলার জন্য তাকে সরে যেতে বলেন। সাইব অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।

একপর্যায়ে অভিযুক্তরা সাইবকে মারধর করে এবং মোবাইল ফোনে আরও ১০-১৫ জনকে ডেকে আনে। পরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে মারধর করা হয় এবং রাস্তার পাশের পানিভর্তি জমিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সাইবের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েক দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় গত ৬ জুন সাইবের মা রেবেকা সুলতানা ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

নিহতের মামাতো ভাই রাকিব মিয়া জানান, মঙ্গলবার বিকালে সাইবের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরে গ্রামের বাড়ি ভেলুয়ায় রাতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁঞা যুগান্তরকে বলেন, ইতোপূর্বে দায়ের করা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই আসামিদের গ্রেফতার করা হবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .