টাঙ্গাইলে যুবদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
নিহতের স্ত্রী ও সন্তানদের আহাজারি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রামদেবপুর গ্রামে জমির সীমানা থেকে মাটি তোলা নিয়ে দুপক্ষের বিরোধে যুবদল নেতা শাহ আলমকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান যুবদল নেতা শাহ আলম।
বুধবার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নিহত শাহ আলম (৪০) উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত আলী আজগরের ছেলে। তিনি দুর্গাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের যুবদলের সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার রামদেবপুর গ্রামের বাদশা ও নবা আলী সঙ্গে বাড়ির সীমানার জমি থেকে মাটি তোলা নিয়ে বিরোধে সোমবার বিকালে দুর্গাপুর গ্রামে গোরস্থান সংলগ্ন এলাকায় দুইপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ সময় যুবদল নেতা শাহ আলমকে বিদ্যুতের তার ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে আঘাত করেন বাদশাপক্ষের লোকজন। এতে গুরুতর আহত হন শাহ আলম।
স্থানীয়রা শাহ আলমকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে মঙ্গলবার রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।
মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা দুর্গাপুর গ্রামের লোকজন রামদেবপুর গ্রামের শুকুরের ছেলে বাদশার বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
এ বিষয়ে নিহত শাহ আলমের স্ত্রী খাদিজা ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, শাহ আলমকে বিদ্যুতের তার ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে রামদেবপুর গ্রামের শুকুরের ছেলে বাদশা, সামাদ ও তাদের লোকজন। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করে শাস্তি চান তারা।
এ বিষয়ে রামদেবপুর গ্রামের বাদশা, সামাদ ও নবা আলী পলাতক থাকায় তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
কালিহাতী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুস ছালাম বলেন, বুধবার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
