Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

প্রতিমন্ত্রী টুকুর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা-অর্থ আত্মসাৎ, যুবক গ্রেফতার

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল ও ভূঞাপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম

প্রতিমন্ত্রী টুকুর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা-অর্থ আত্মসাৎ, যুবক গ্রেফতার

মো. এরশাদ আকন্দ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নাম ব্যবহার করে বাংলাদেশ পুলিশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. এরশাদ আকন্দ (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভোরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের অর্জুনা বাজার এলাকায় শাহবাগ থানা ও ভূঞাপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মো. এরশাদ আকন্দ (৩৮) উপজেলার অর্জুনা বাজার এলাকার ফটিক আকন্দের ছেলে।

এর আগে এ ঘটনায় বুধবার (১৭ জুন) রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন টাঙ্গাইলের নাগরপুরের খাষ ঘুনিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. রাজা মণ্ডল (৪৫)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই (নিরস্ত্র) আব্দুল গাফফার হিমেল জানান, এরশাদ আকন্দ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে আরও প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, রাজা মণ্ডলের ছেলে নাসির মণ্ডল এইচএসসি পড়ুয়া শিক্ষার্থী। পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে এরশাদ আকন্দের সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পরিচয় ব্যবহার করে নাসিরকে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন।

চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে তিনি ১২ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে গত ৪ মে রাজধানীর শাহবাগ এলাকার একটি হোটেলে রাজা মণ্ডলের কাছ থেকে নগদ ৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা গ্রহণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি অর্থ চাকরি হওয়ার পর পরিশোধ করার কথা ছিল।

তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরির ব্যবস্থা করতে না পারায় ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তার সঙ্গে যোগাযোগও বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বুধবার রাতে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী।

শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গ্রেফতারকৃত এরশাদ আকন্দ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হবে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .