মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর
রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম
মাদককারবারিরা দেশ, জাতি ও সমাজের শত্রু বলেছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেছেন, মাদকের ভয়াবহতায় দেশে অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। অনেক পরিবারের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। মাদককারবারিরা দেশ, জাতি ও সমাজের শত্রু। তাদের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন মাদক পাচার ও মাদকের অবাধ ব্যবহার। এই প্রবণতা যে কোনো মূল্যে রুখে দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহী অঞ্চলে বাইরে থেকে, বিশেষ করে সীমান্তপথে মাদক প্রবেশ করে। সীমান্তঘেঁষা এলাকার অনেক মাদককারবারি গত দুই দশকে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। শুধু মাদক বহনকারীদের গ্রেফতার করলেই হবে না, এই অপরাধচক্রের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে তারা যাতে দ্রুত জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও মাদক ব্যবসায় জড়াতে না পারে, সে বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় আনতে হবে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভূমিমন্ত্রী বলেন, মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করতে হবে। দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে সমাজ থেকে তাদের নির্মূল করতে হবে।
মাদকবিরোধী এ বিভাগীয় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ফয়েজুল কবির, রাজশাহীর পুলিশ সুপার নাঈমুল হাছান, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক আলী আসলাম হোসেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি ও রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। সভা শেষে মাদকবিরোধী অভিযান ও প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
