|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বৈরী আবহাওয়ায় বান্দরবানের থানচিতে টানাবর্ষণে সাঙ্গু নদীতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পর্যটকদের তিন্দু, রেমাক্রী ও নাফাখুম এলাকায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বৈরী পরিস্থিতিতে রেমাক্রী-তীন্দু এলাকায় শতাধিক ভ্রমণকারী পর্যটক আটকা পড়েছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল।
প্রশাসন ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, রোববার থেকে বান্দরবান জেলায় টানা বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সাঙ্গু নদী ও আশপাশের ছোট ছোট পাহাড়ি ছড়ায় পানির প্রবাহ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকায় আপাতত তিন্দু, রেমাক্রী ও নাফাখুমে পর্যটকদের ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে মৌখিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
থানচি উপজেলা ট্যুরিস্ট গাইড সমিতির সাধারণ সম্পাদক ক্লাইমেন ত্রিপুরা বলেন, থানচিতে নাফাকুমে ৬৯ জন এবং জিন্নাপাড়ায় ৩ জন গাইডসহ ২১ জন পর্যটক আটকে পড়ার তথ্য রয়েছে। এছাড়াও থানচিতে বিভিন্ন স্থানে আরও পর্যটক আটকা থাকতে পারেন।
তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন বলেন, তিন্দু বড়পাথর এলাকায় পর্যটকদের একটি বোট নদীর স্রোতে ডুবে গেছে। তখন বোটে পর্যটক ছিলেন না বোটচালক আগেই পর্যটকদের নৌকা থেকে নামিয়ে দেন তাই কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
থানচি পর্যটক গাইড সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ বলেন, সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিন্দু, রেমাক্রী ও নাফাখুম এলাকায় দেড় শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। তাদের সঙ্গে থানচি পর্যটক গাইড সমিতির সভাপতিও রয়েছেন। বৃষ্টি কমে নদীর পানি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের ফিরে আসা সম্ভব হবে না।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে ছোট ছোট খাল ও সাঙ্গু নদীর পারি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে এবং সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে আপাতত তিন্দু, রেমাক্রী ও নাফাখুম ভ্রমণের বিষয়ে মৌখিক সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের এসব এলাকায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
