ডিমলায় শিক্ষার্থীকে দিয়ে শরীর ম্যাসাজ, ভিডিও ভাইরাল
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম
ডিমলায় শিক্ষার্থীকে দিয়ে শরীর ম্যাসাজ, ভিডিও ভাইরাল
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নীলফামারীর ডিমলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে শরীর ম্যাসাজ করার ভিডিও জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
ডিমলায় খগাবড়বাড়ী বালিকা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে এক শিক্ষিকার শরীর ম্যাসাজ করানোর অভিযোগে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে এলাকায় বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলছে, আর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শিক্ষা কর্তৃপক্ষও ব্যবস্থা নিয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষিকার নাম তিলোত্তমা রানী রায় (কাব্য তীর্থ)। তিনি ওই বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্মীয় শাখার সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কাজ করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে সেখানে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ বা পাঠদানের সময়ের মতো পরিবেশে এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে শিক্ষিকার শরীর ম্যাসাজ করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক আর এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আফরোজা বেগম বলেন, ওই শিক্ষিকাকে ইতোমধ্যে শোকজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যালয় হলো শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আর সম্মানজনক পরিবেশে পড়াশোনার জায়গা। কোনো শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগত কাজে বা শিক্ষক-শিক্ষিকার সুবিধার জন্য ব্যবহার করা নৈতিকতা ও পেশাগত আচরণবিধির পরিপন্থি। তাই এ ধরনের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
অভিভাবকদের অনেকেই বলছেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আচরণ সব সময় দায়িত্বশীল আর পেশাগত মানের মধ্যে থাকা উচিত। এমন অভিযোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।
তবে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য জানা গেলে পরে তা প্রকাশ করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার আসল সত্য বেরিয়ে আসবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ডিমলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আফরোজা বেগম বলেন, বিষয়টি জানার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
