Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

ঘরে ঢুকে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন মাদ্রাসাশিক্ষক

Icon

সিদ্ধিরগঞ্জ দক্ষিণ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম

ঘরে ঢুকে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন মাদ্রাসাশিক্ষক

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পেছন পেছন এসে ঘরে ঢুকে ১৭ বছরের এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর মা বৃহস্পতিবার রাতে বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম ওমায়ের আহমেদ (২০)। তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ১নং ওয়ার্ডের মিজমিজি পাগলাবাড়ি এলাকার হেদায়েত উল্লাহর ছেলে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী তরুণীর ছোট ভাই (নাসিক) ১নং ওয়ার্ডের পাগলাবাড়ী আন-নাবিল ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার নাজেরা শাখার শিক্ষার্থী। সে নিয়মিত তার ভাইকে নিয়ে মাদ্রাসা থেকে আসা-যাওয়ার পথে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক ওমায়ের আহমেদ প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তবে ভুক্তভোগী তরুণী ওই শিক্ষকের প্রেমের প্রস্তাবে রাজি হচ্ছিল না।

গত ১২ জুলাই বিকালে তরুণী তার ভাইকে মাদ্রাসায় খাবার দিয়ে ফেরার সময় অভিযুক্ত তাকে ফলো করে আসছিলেন। একপর্যায়ে মেয়েটি নিজের বাসায় প্রবেশ করামাত্রই মেয়েটিকে জোরপূর্বক ঘরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পর ওই তরুণী ঘুমের ওষুধ ও বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

তরুণীর নানা বলেন, মেয়ের বাবা একজন দিনমজুর। ঘটনার সময়ে মেয়ের মা এক বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিল। ফলে ফাকা বাড়িতে ঢুকে ওই মাদ্রাসাশিক্ষক আমার নাতনিতে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পর লজ্জা ও ক্ষোভে মেয়েটি আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরিবারের সদস্যরা টের পেয়ে মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

তিনি জানান, অভিযুক্তের ভাইয়েরা মেয়েটিকে দেখতে হাসপাতালে এসে মীমাংসার কথা বলেছেন। ধর্ষণকাণ্ড ধামাচাপা দিতে মেয়েটির ভাইদের হত্যা করবে বলবে হুমকি দিয়েছিল। মেয়ের আপন ভাই ও খালাতো ভাই ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে করে বলে তিনি জানান।

আন-নাবিল ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও অভিযুক্তের বড় ভাই জুবায়েরকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টির জন্য আমাকে থানার দায়িত্বশীল একজন ফোন করে থানায় বসার জন্য বলেছেন। আমরা ওসি সাহেবের উপস্থিতিতে থানায় বসবো।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, এ ঘটনায় উভয়পক্ষকে নিয়ে বসা হবে। পরিস্থিতির উপর পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম থাকবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .