নারায়ণগঞ্জ সিটির ১০৬১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
অতিরিক্ত কর আরোপ না করে রাজস্ব খাত সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রাজস্ব ও উন্নয়নসহ ১০৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৭৫ হাজার ১১২ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছেন প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবন অডিটোরিয়ামে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এ বাজেট ঘোষণা করেন।
বাজেট ঘোষণার অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুর কুতুবুল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নগর পরিকল্পনাবিদ মো. মইনুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেন।
এ সময় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজীব, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ নগরীর বিশিষ্টজন ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বাজেট ঘোষণা শেষে নাগরিক ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়ন খাতে মোট ১০৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৭৫ হাজার ১১২ টাকার আয় এবং ৯৩০ কোটি ৭৫ লাখ ৪২ হাজার ৪০২ টাকার ব্যয় ধরা হয়েছে।
তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমরা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা, নিজস্ব রাজস্ব আয়, উন্নয়ন সম্ভাবনা এবং সর্বোপরি নগরবাসীর প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে অতিরিক্ত কর আরোপের মাধ্যমে নাগরিকদের ওপর নতুন আর্থিক চাপ সৃষ্টি না করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা এবং নতুন নতুন রাজস্ব আয়ের উৎস সৃষ্টি করে সিটি করপোরেশনের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করা। এ বাজেটে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও সাশ্রয়ের পাশাপাশি নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা নিরসন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসার, ক্রীড়া উন্নয়ন, ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, যানজট নিরসন, সড়কবাতির উন্নয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক সেবা সম্প্রসারণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
