‘সবাই মিলেমিশে খামু’ বলা খাদ্য কর্মকর্তা বরখাস্ত
কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কালাইয়ে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য বরাদ্দ আটার একটি অংশ আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ও সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলায় প্রতিদিন দুই টন আটা ও দুই টন চাল বরাদ্দ রয়েছে। একজন সুবিধাভোগী ২৭০ টাকায় পাঁচ কেজি আটা ও পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারেন।
স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, প্রতিদিন দুই টন আটার বিপরীতে বিক্রয়কেন্দ্রে ৪০ বস্তা আটা থাকার কথা থাকলেও সেখানে রাখা হতো মাত্র ২০ বস্তা। ফলে অনেক সুবিধাভোগী চাল পেলেও আটা পেতেন না।
জিজ্ঞেস করলে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ জানান, ‘এত কথা কওয়া লাগবে ক্যা, কয় টন বরাদ্দ, এতদিন পর আসছে। সবাই মিলেমিশে খাই। এখানে তেমন কিছু নাই। যা হবে ভাই-ব্রাদার মানুষ, সবাই মিলেমিশে খামু। আর আপনারা যদি কন বন্ধ করে দিতে, কালকে থেকে বন্ধ করে দিমু।’
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বুধবার উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. মাহমুদুন্নবী সরকার এবং সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক আব্দুল মোমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
