হবিগঞ্জ ছাত্রদল সভাপতির চ্যালেঞ্জ
সংঘর্ষে সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম
শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। সংঘর্ষে তার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমরা বরাবরই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এনসিপির বন্ধুরা একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আমাকেও জড়ানো হয়েছে; যা অত্যন্ত দুঃখজনক। মামলার কোথাও ঘটনার তারিখ, সময় ও স্থানের উল্লেখ নেই। আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগও নেই। হাতে লেখা একটি অভিযোগ দিয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আমি মনে করি এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাদের হেয় করাই মূল উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন, একটি জিনিস মনে রাখতে হবে, কাউকে অযথা হেয় করতে গেলে নিজেই কিন্তু হেয় হতে হয়।
হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, আমি এনসিপির বন্ধুদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছি যে, সংঘর্ষের ঘটনায় যদি আমার সম্পৃক্ততা তারা প্রমাণ করতে পারেন তবে রাজনীতি ছেড়ে দেব।
এনসিপির দায়ের করা মামলায় রোববার হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জামিন পেয়ে তিনি এ চ্যালেঞ্জ দেন।
এর আগে তিনিসহ মামলার ১১ জন আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল মান্নানের আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিনব্যাপী হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ ও জেলা শহরে এনসিপির কর্মসূচি ছিল। এতে এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ এমপিসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের কটাক্ষ করে বক্তব্য দেন। সন্ধ্যায় জেলা শহরের সমাবেশ শেষ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হন। পথে কোর্ট মসজিদের সামনে পৌঁছলে তাদের গাড়িবহরে একদল যুবক হামলা করে।
একপর্যায়ে সারজিস আলমসহ নেতাকর্মীরা সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় গিয়ে আশ্রয় নেন। তখন দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে এনসিপির ছাত্র সংগঠন জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের রুবেল বাদী হয়ে জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ১শ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
