গত বছরের প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা
ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে পরীক্ষার্থীরা। এতে পাশ করা নিয়ে শঙ্কিত শিক্ষার্থীরা।
রোববার (২ আগস্ট) এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার দায়ে ইবরাহীম খা সরকারি কলেজের কেন্দ্র সচিব প্রফেসর মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন খানসহ ৩ শিক্ষককে শোকজ করেছে প্রশাসন।
জানা গেছে, ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পার্শ্ববর্তী লোকমান ফকির মহিলা ডিগ্রি কলেজ, শহীদ জিয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও নিকরাইলের শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজের ১৪ শিক্ষার্থী শনিবার মনোবিজ্ঞান পরীক্ষা দেয়। এ সময় নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্র ২০২৬ সালের পরিবর্তে ২০২৫ সালেরটা দিয়ে পরীক্ষা নেন শিক্ষকরা। পরে পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে গিয়ে প্রশ্ন মিলাতেই দেখতে পায় তারা ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা স্ব স্ব কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানায়। পরে ইবরাহীম কলেজ কর্তৃপক্ষ বোর্ড থেকে সমাধান করার আশ্বাস দেয় তাদের।
এদিকে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেননি ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের কেন্দ্র সচিব প্রফেসর মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন খান।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, পরীক্ষা শেষে বাসায় গিয়ে প্রশ্ন মিলাতে গিয়ে দেখা গেছে প্রশ্ন ২০২৫ সালের। পরীক্ষায় দায়িত্বরত শিক্ষকদের গাফিলতির কারণে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে। এটা আদৌ সমাধান হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কিত।
লোকমান ফকির মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আ. আউয়াল আল হাবিব বলেন, ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার বিষয়টি ইবরাহীম খা কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে এটার সমাধান করবে বলে জানিয়েছে।
ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন খান বলেন, এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে ৩ শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। আর দুজনকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নতুন ২ শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে ১৪ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র দিয়েই মূল্যায়ন করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসান বলেন, ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিলেও কেন্দ্র সচিব তা অবহিত করেননি। রাতে অন্য শিক্ষকের মাধ্যমে জানার পর বোর্ডে যোগাযোগ করা হয়। বোর্ড থেকে ১৪ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
