Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

সড়কের ইট তুলে বিক্রি করার অভিযোগ অস্বীকার ইউপি সদস্যের

Icon

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম

সড়কের ইট তুলে বিক্রি করার অভিযোগ অস্বীকার ইউপি সদস্যের

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে সড়কের ইট তুলে বিক্রি করার ঘটনায় অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউপি সদস্য মাসুদ রানা। তিনি বলেন, আমি রাস্তার ইট বিক্রি করিনি এবং কাউকে তুলতেও বলিনি। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস শহিদ ও আহমেদ কবির ইটগুলো তুলে ওই রাস্তার পাশেই রেখেছেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকালে জেলা শহরের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় স্থানীয় আবদুল্লাহ ফারুক উপস্থিত ছিলেন।  

মাসুদ রানা চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

ইট ক্রয় নিয়ে আবদুস শহিদ বলেন, আমি কোনো ইট কিনিনি। আর মাসুদ রানাও ইট বিক্রি করেননি। ওই রাস্তাটি ব্লক স্থাপন করে নির্মাণ করা হবে। এজন্য ইটগুলো তুলে রাস্তার পাশেই রাখা হয়েছে।

ইট ক্রয় নিয়ে আহমেদ কবির বলেন, ইটগুলো তুলে রাস্তার পাশে রাখা হয়েছে। এখন আবার ইটগুলো রাস্তায় দেওয়া হয়েছে। ইট কেনা বা বিক্রি হয়নি।

ইউপি সদস্য মাসুদ রানা বলেন, আমি বর্তমান ইউপি সদস্য। আগামীতেও আমি নির্বাচন করবো। এতে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলাচ্ছে। কুচক্রী মহল আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহ ফারুক বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে মাসুদের সুনাম ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে একটি চক্র ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। তিনি এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। রাস্তা নির্মাণে বরাদ্দ পেতে মাসুদ পকেটের টাকা খরচ করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় উত্তর জয়পুর ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে কাঁচা রাস্তায় ইটের সলিং করে দেওয়া হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ৫৭৮ মিটার রাস্তায় ব্লক স্থাপন করে রাস্তা নির্মাণ কাজের দরপত্র আহবান করা হয়। প্রায় ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দে কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরহাম বিল্ডার্স। রাস্তার প্রস্তাবনা পাশ করতে বিভিন্ন দপ্তরে খরচ হয়েছে জানিয়ে টেন্ডারের ১৫ দিনের মাথায় প্রায় ৬০-৭০ মিটার রইশ্যার বাড়ির সামনের রাস্তার ইট তুলে বিক্রি করে দেওয়া হয়। একই এলাকার আব্দুস শহিদ ও আহমেদ কবির ইটগুলো ইউপি সদস্য মাসুদের কাছ থেকে প্রায় ২৫ হাজার টাকায় কিনে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .