Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

বাড়িতে ঢুকে কিশোরীসহ ৩ নারীকে কুপিয়ে জখম

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ)

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৬ পিএম

বাড়িতে ঢুকে কিশোরীসহ ৩ নারীকে কুপিয়ে জখম

পূর্বশত্রুতার জের ধরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজন বাড়িতে প্রবেশ করে এক কিশোরীসহ ৩ নারীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মহজমপুর বশিরগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত কিশোরীর মা সামিরুন আক্তার বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনের বিরুদ্ধে বিকালে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

আহতরা হলেন- কিশোরী শামীমা (১৭), কিশোরীর খালা জরিনা (৪৫) ও মামী মানসুরা আক্তার (৪০)।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে সামিরুন আক্তার উল্লেখ করেন, তার মেয়ে শামীমা ও অভিযুক্ত কেয়া মনি একই স্কুলে পড়াশোনা করেন। কেয়া মনির সঙ্গে অভিযুক্ত হৃদয়ের চলাফেরা নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়। তার মেয়ে শামীমা এসব বিষয় এলাকায় প্রচার-প্রচারণা করছে- এমন ধারণা নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শামীমা ও আমাকে গালিগালাজসহ ক্ষতিসাধন করার হুমকি দিয়ে আসছিল।

সামিরুন আক্তারের অভিযোগ, সোমবার সকালে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে ও তার মেয়ে শামীমাকে মারধর শুরু করে। এ সময় দিপু নামের একজন ধারাল দা দিয়ে শামীমাকে মাথায় কুপিয়ে আহত করে। এ সময় শামীমাকে রক্ষা করতে তার খালাম্মা জরিনা ও চাচি মানসুরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর করে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা  জরিনাকেও কুপিয়ে আহত করে। এছাড়াও লোহার রড দিয়ে তার বাম হাতে আঘাত করা হলে হাড় ভেঙে যায় এবং মানসুরার মাথায় চাপাতি দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সামিরুন আক্তার আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় শিউলী নামের এক নারী তার মেয়েকে চুলের মুঠি ধরে টানাহেঁচড়া করেন। এ সময় কেয়া মনি তার ডান কানের একটি স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

পরে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত দিপুকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। খুদে বার্তা দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .