শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সিএ সেই ইনসানকে বদলি
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঘুস কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে দৈনিক যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কনফিডেনশিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট (সিএ) ইনসান আলীকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।
জানা গেছে ইনসান আলীকে জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সিএ মো. নুরুল আমিনকে শ্রীবরদী উপজেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা গেছে। তবে অফিস আদেশে বদলির কারণ হিসেবে ‘প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে’ উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার (১০ আগস্ট) দৈনিক যুগান্তরে ‘ঘুসে চাকরি, ছাঁটাই করায় সেই টাকা দাবি সুইপারের’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর শ্রীবরদী উপজেলায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিষয়টি শেরপুরের জেলা প্রশাসকও পর্যবেক্ষণ করেন।
প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে সুইপার পদে মুক্তা হরিজন নামে এক নারীকে ফেব্রুয়ারি থেকে মাস্টার রোলে চাকরি দেওয়া হয়। ওই চাকরি পেতে মুক্তা হরিজন ইউএনওর সিএ ইনসান আলীসহ আরও দুজনকে চার লাখ টাকা ঘুস দেন বলে অভিযোগ করেন।
জুন মাসে মুক্তা হরিজনের চাকরি চলে যাওয়ার পর তিনি ওই ঘুসের টাকা ফেরত চান। টাকা ফেরত না পেয়ে ৬ আগস্ট তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের পর ইনসান আলী ওই রাতেই মুক্তা হরিজনকে চার লাখ টাকা ফেরত দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে মুক্তা হরিজনের কাছ থেকে তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ প্রত্যাহারের একটি লিখিত নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বদলির কারণ ব্যাখ্যা না করলেও ইনসান আলীর বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
