বাঘায় ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করেনি
বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ফলাফল ঘোষণার সময় এ তথ্য প্রকাশ করেন।
জানা গেছে, রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাঘা উপজেলার বানিয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কেউ পাশ করতে পারেনি।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাউসা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট থেকে ৪১ জন পরীক্ষা দিয়ে কেউই পাশ করেনি।
অপরদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সরেরহাট দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৪ জন পরীক্ষা দিয়ে ১৪ জনই ফেল করেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৩ বোর্ডের অধীনে উপজেলায় ৬৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার ৮৬৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ১ হাজার ৪১৫ জন। পাশের হার ৪৯.৩৫। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৭ জন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু জাফর বলেন, রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উপজেলায় ৪৯টি স্কুলে পাশের হার ৫৯.৬৭, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৯ জন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১ হাজার ৮৬২ জন। পাশ করেছে ১ হাজার ১১১ জন।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উপজেলায় ৯টি প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ২৭.৬৬। পরীক্ষার্থী ছিল ৭৫২ জন। পাশ করেছে ২০৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯টি প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৩৭.৯৪। পরীক্ষার্থী ছিল ২৫৩ জন। পাশ করেছে ৯৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন।
এ বিষয়ে সরেরহাট দাখিল মাদ্রাসার সুপার ইউনুস আলী বলেন, গত বছর ২৩ জনের মধ্যে ৭ জন পাশ করেছিল। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করা হবে।
এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডকে অবগত করা হবে।
এ বিষয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফরাত জেরিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হবে।
