নারীসহ পাসপোর্ট কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নারী ও মদসহ শেরপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. রুস্তম আলীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. নূরুল হাফিজ।
এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে শেরপুর পৌরসভার নবীনগর নয়াপাড়া এলাকায় পাসপোর্ট অফিসের তৃতীয়তলায় অবস্থিত সহকারী পরিচালক মো. রুস্তম আলীকে তার বাসভবন থেকে নারীসহ হেফাজতে নেয় পুলিশ।
মো. নূরুল হাফিজ যুগান্তরকে বলেন, রুস্তম আলীকে আপাতত অফিসের কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ডেপুটি ম্যানেজার (ডিএম) পদমর্যাদায় একজনসহ দুই সদস্য একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। ঢাকার ওই দলটি শেরপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে এবং সেখানে গিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয়ভাবেও শেরপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই রাতে সহকারী পরিচালকের বাসভবনে এক অপরিচিত নারীকে প্রবেশ করতে দেখেন স্থানীয় কয়েকজন। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে তারা সেখানে অবস্থান করেন এবং পরে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সহকারী পরিচালক মো. রুস্তম আলী ও ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। এ সময় স্থানীয় লোকজনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়।
শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা যুগান্তরকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে বিষয়টি যাচাই ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী নিজেকে রুস্তম আলীর দুঃসম্পর্কের শালী বলে পরিচয় দিয়েছেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর এলাকায় বলে জানা গেছে।
শেরপুরের পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, রাতে পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে সহকারী পরিচালকের বাসভবন থেকে রুস্তম আলী ও ওই নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
