Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

আতিকুরকে হত্যা করে লাশ বস্তায় ভরে ফেলা হয় পুকুরে

Icon

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম

আতিকুরকে হত্যা করে লাশ বস্তায় ভরে ফেলা হয় পুকুরে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ১৯ বছরের তরুণ আতিকুর রহমান হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আতিকুরকে হত্যার পর লাশ গুম করতে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দড়ি দিয়ে গাছের শিকড়ের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘটনায় এজাহারনামীয় আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- সাগর, সাদ্দাম ও বোরহান।

বুধবার (১২ আগস্ট) গভীর রাতে আখাউড়ার খরমপুর হযরত শাহ সৈয়দ আহমেদ গেসু দারাজ (যিনি কেল্লা শহীদ নামেও পরিচিত) মাজার এলাকা থেকে প্রথমে সাগরকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি দুই আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পিবিআই জানায়, গত ২৯ মার্চ রাতে সাগর আতিকুরকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। ওই রাতে আতিকুর তার মাকে ফোন করে দ্রুত বাড়ি ফেরার কথা জানালেও এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে ১ এপ্রিল সকালে বিটঘর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের একটি পুকুর থেকে আতিকুরের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার মা তাছলিমা বেগম বাদী হয়ে নবীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই।

তদন্ত ও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পিবিআই আরও জানায়, ঘটনার রাতে আসামিরা বোরহানের ঘরে মাদক সেবন ও লুডু খেলছিল। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে আতিকুরের সঙ্গে বোরহানের তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে বোরহানের লাথিতে আতিকুর অচেতন হয়ে পড়লে তাকে পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সাদ্দামের নির্দেশে ওড়না দিয়ে গলা পেঁচিয়ে এবং হাত-পা চেপে ধরে আতিকুরকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

হত্যাকাণ্ড শেষে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে গাছের শিকড়ের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। এছাড়া আলামত নষ্ট করতে আতিকুরের জুতো পাশের একটি বাঁশঝাড়ে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ইউনিটের পুলিশ সুপার শচীন চাকমা জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। গ্রেফতার আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .