Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

নোয়াখালীতে সিআইডি পরিচয়ে নারীকে অপহরণের চেষ্টায় আটক ৭

Icon

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৭ পিএম

নোয়াখালীতে সিআইডি পরিচয়ে নারীকে অপহরণের চেষ্টায় আটক ৭

নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে এক নারীকে (৩০) অপহরণ করতে এসে ওই নারীর সাবেক স্বামীসহ ৭ জন আটক হয়েছেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে সিআইডির ৪টি ইউনিফর্ম, ৩টি সাধারণ ইউনিফর্ম ও ১টি নোহা গাড়ি জব্দ করেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে আসামিদের বিচারিক আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। 

আটকরা হলেন- লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আটিয়াতলী এলাকার স্বপন চৌধুরীর ছেলে শহীদুল ইসলাম শুভ চৌধুরী (৩২), চররুহিতা এলাকার সেলিমের ছেলে রুবেল হোসেন (২৯), রাজশাহীর মাড়িয়া এলাকার রওশন আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (২৮), বগুড়ার ওন্দারহাট এলাকার জাহিদুর রহমানের ছেলে আবুল কাশেম সোহেল (৩৮), চট্টগ্রামের উত্তর হাইটকান্দি এলাকার আইনুল কবির চৌধুরীর ছেলে শাহাদাত হক খান চৌধুরী (২৯), ফেনীর পরশুরাম উপজেলার শুভার বাজার এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে নাদির (২৯) ও ঢাকার বংশাল এলাকার ফজলু মিয়ার ছেলে শরীফ মিয়া (৫৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৩ সালে পারিবারিকভাবে ওই নারীর সঙ্গে বিয়ে হয় শুভ চৌধুরীর। বিয়ের পর থেকে শুভর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওই নারীর দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হয়। পরে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। বিচ্ছেদের পর থেকেই শুভ বিভিন্নভাবে তার সাবেক স্ত্রীকে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে। এর জের ধরে গতকাল বুধবার গভীর রাতে সিআইডির ইউনিফর্ম ও হাতে ওয়াকিটকি নিয়ে ওই নারীর মাইজদী বসুন্ধরা কলোনির বাসার সামনে এসে পুলিশ পরিচয়ে দরজায় কড়া নাড়েন শুভ। তারা পুলিশ পরিচয়ে জানায়- একটি মামলার বিষয়ে তারা তদন্তে এসেছেন। পরে তারা রিকল দেখানোর নাম করে নারীর বাবা আতাউর রহমানকে ধাক্কা দিয়ে ঘরের ভিতরে ঢুকে যান। এ সময় শুভ তার সাবেক স্ত্রীর কক্ষে গিয়ে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে আতাউরের স্বজনরা এসে বাইরে থেকে মূল গেট লাগিয়ে দিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দেন। কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ৭ জনকে আটক করেন। 

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর বাবা আতাউর রহমান বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় আসামিদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .