ফিলিং স্টেশনের সামনে যানজট
চট্টগ্রামে গ্যাস নিতে একাধিক সারি গাড়ির
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
চট্টগ্রামে গ্যাস নিতে একাধিক সারি গাড়ির
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রামে আবারও গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। গ্যাসের চাপ না থাকায় সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস পাচ্ছেন না যানবাহনের চালকরা। গ্যাস নিতে ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনে দেখা যাচ্ছে যানজট। নগরীর বিভিন্ন এলাকার বাসাবাড়িতেও জ্বলছে না গ্যাসের চুলা। ব্যাহত হচ্ছে রান্না।
জানা গেছে, চট্টগ্রামে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা ৩৫০-৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট। সংকটের শুরুতে চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছিল মাত্র ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের কাছাকাছি। চলতি সপ্তাহ থেকে সরবরাহ আরও কমে গেছে। ফলে আবাসিক ও শিল্পসহ সব খাতেই তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় অনেক সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস দিতে পারছে না। এ কারণে স্টেশনের সামনে যানবাহনগুলোর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও একাধিক সারিতে গাড়ির জট তৈরি হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে গণপরিবহণ ও ব্যক্তিগত পরিবহণে। যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগও বাড়ছে।
নগরীর নতুন শাহ আমানত ব্রিজের দক্ষিণপাড় থেকে ক্রসিং পর্যন্ত চারটি ফিলিং স্টেশনে বৃহস্পতিবার গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দুপাশে গ্যাসচালিত গাড়ির দীর্ঘ সারি। একাধিক সারিতে গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করছে যানবাহনগুলো। প্রাথমিকভাবে মনে হতে পারে-সড়কে ভয়াবহ যানজট লেগেছে। কিন্তু বাস্তবে সড়কের দুপাশে গ্যাসের জন্য গাড়িগুলো অপেক্ষার প্রহর গুনছে।
একাধিক সিএনজিচালক জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে এমন অবস্থা চলছে।
মাইজ্জারটেক শাহ তৈয়বিয়া সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাসের জন্য লাইনে দাঁড়ানো সিএনজিচালক সোহেল ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, সারা দিনে ৫০০ টাকাও ইনকাম করতে পারছেন না। অথচ মালিককেই দিতে হয় ৭০০ টাকা। এ সংকটে ঘরের বউ চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বাচ্চা-কাচ্চা উপোস করছে। কার কাছে এর জবাব চাইব বুঝতে পারছি না।
নগরীর কদমতলী, কাতালগঞ্জসহ বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে গ্যাসের জন্য যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষার পরও পাওয়া যাচ্ছে না গ্যাস।
