Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

আধিপত্য নিয়ে বিরোধ

জাজিরায় ফের শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, ৩৫ বাড়ি ভাঙচুর লুট

Icon

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম

জাজিরায় ফের শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, ৩৫ বাড়ি ভাঙচুর লুট

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মুলনা ইউনিয়নের চরধুপুর চরকান্দিতে আবারও শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় অন্তত ৩৫টি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার তিন দিন পর বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মুলনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল শিকদার ও জাজিরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য তমিজ খাঁর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়ান।

এ সময় দুপক্ষ শতাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। ককটেলের আঘাতে মান্নান সরদার নামে একজন নিহত হন। এরপরই তমিজ খাঁ ও তার সমর্থকরা এলাকা ছেড়ে চলে যান। এ ঘটনায় মান্নান সরদারের ছেলে আনোয়ার হোসেন মঙ্গলবার জাজিরা থানায় তমিজ খাঁকে প্রধান আসামি করে ৮৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৮ আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

এরপর বুধবার রাতে তমিজ খাঁ ও তার সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট হলো। হামলাকারীরা বাড়িঘর থেকে গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে। এ সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রেজাউল শিকদারের সমর্থক ও মান্নান সরদারের স্বজনরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

তমিজ খাঁর স্ত্রী সুফিয়া বেগম বলেন, ‘প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। ঘরের বিভিন্ন জিনিস লুট করে নিয়ে গেছে। তাদের সমর্থকদের বাড়ি থেকেও গরু, ছাগলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা রেজাউল শিকদার। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আমলে তমিজ খাঁ এলাকার অনেক মানুষকে নির্যাতন করেছেন। চাঁদাবাজি করেছেন। আমার লোকজনের ওপরও অন্যায়ভাবে হামলা চালানো হয়েছে এবং হামলায় আমার এক আত্মীয় মারা গেছেন। এখন আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার জন্য বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা সাজানো হয়েছে।’

জাজিরা থানার ওসি সালেহ আহম্মেদ বলেন, ‘গ্রামে আবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ককটেল বিস্ফোরণ ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।’

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .