মাকে গলা কেটে হত্যার পর পাশের ঘরে শুয়ে থাকে ছেলে
মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঝিনাইদহের মহেশপুরে নেশার টাকা না দেওয়ায় মাকে বঁটি দিয়ে জবাই করে হত্যা করেছে মাদকাসক্ত ছেলে এখলাচুর রহমান। মাকে হত্যার পর পাশের ঘরে শুয়ে থাকে ছেলে।
বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময় মায়ের শোয়ার ঘরে ঢুকে এ ঘটনা ঘটায় সে। নিহত সখের বানু (৫৭) উপজেলার শ্যামকুড় পশ্চিমপাড়ার জেকের আলীর স্ত্রী। বিষয়টি জানাজানি হলে শুক্রবার সকালে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ঘাতক ছেলেকে আটক করে পুলিশে দেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় নিহতের আরেক ছেলে বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন।
এদিকে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে এখলাচুর। তার দেওয়া তথ্য মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা বঁটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঝিনাইদহ জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ঘাতককে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এখলাচুর হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে।
পাঁচ বছর আগে স্বামী মারা গেলে মানুষের সহায়তায় জীবিকা নির্বাহ করতেন সখের বানু। পাঁচ সন্তানের মধ্যে ঘাতক সবার বড়। এক সময় সে ইটভাটার ট্রাক্টর চালালেও পরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার রাতে মায়ের কাছে টাকা চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। পরে রাতে সে তার মাকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে ঘাতক পাশের ঘরে শুয়ে থাকে।
পাঁচ বছর আগে এখলাচুর তার বাবার বুকে লাথি মারলে তিন দিন অসুস্থ থাকার পর তিনি মারা যান।
