Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

রাজশাহীতে গ্যাস সংকট

রুয়েটে হলের ডাইনিং বন্ধ, কারাগারে লাকড়িতে রান্না

Icon

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম

রুয়েটে হলের ডাইনিং বন্ধ, কারাগারে লাকড়িতে রান্না

রাজশাহী প্রকেৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। সংগৃহীত ছবি

সারা দেশের মতো রাজশাহীতেও ভয়াবহ গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে গ্যাসের চাপ একেবারে কমে যাওয়ায় রাজশাহী প্রকেৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) একটি আবাসিক হলের ডাইনিং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়া আরও কয়েকটি হলে এ কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এতে ভয়াবহ ভোগান্তিতে পড়েন শিক্ষার্থীরা। একই সংকটে পড়ে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। ফলে কারাগারে থাকা প্রায় তিন হাজার কয়েদির খাবার নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। পরে কারা কর্তৃপক্ষ বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে খড়ি ও লাকড়ি দিয়ে রান্নার ব্যবস্থা করে। 

রুয়েট প্রশাসনের তথ্যমতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি হলে চার হাজার শিক্ষার্থী বসবাস করেন। রান্নার জ্বালানি হিসাবে গ্যাসের বিকল্প না থাকায় এরই মধ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলের খাবার সরবরাহ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে হলটির প্রায় পাঁচ শতাধিক আবাসিক শিক্ষার্থীর খাবার ব্যবস্থাপনায় ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। 

সংকট দীর্ঘ হলে গ্যাসনির্ভর অন্য হলের ডাইনিং কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যেসব আবাসিক হলে বিকল্প হিসাবে খড়ি বা লাকড়ি দিয়ে রান্নার ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব হলে আপাতত বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে ডাইনিং কার্যক্রম চালু রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মো. রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, এটি জাতীয় সমস্যা। যেসব আবাসিক হলে বিকল্প হিসাবে খড়ি বা অন্য কোনো উপায়ে রান্নার ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব হলে ডাইনিং কার্যক্রম চালু রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে যেসব হলে বিকল্প ব্যবস্থা নেই, সেখানে অস্থায়ীভাবে বাইরে চুলা স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এদিকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন বলেন, বর্তমানে কারাগারে ২ হাজার ৭০০ বন্দি রয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎ করেই গ্যাস সংকট দেখা দেয়। তবে বিকল্প ব্যবস্থা থাকায় কয়েদিদের খাবার ব্যবস্থা করা গেছে। খড়ি ও লাকড়ি দিয়ে আমরা রান্নার কাজ করেছি। 

পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (পিজিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এস.এম. তারিকুল ইসলাম বলেন, রাজশাহীতে গড়ে তিন থেকে চার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয়। এই সরবরাহ সিলেট ও মহেশখালী ভাসমান টার্মিনাল থেকে আসে। তবে শুক্রবার দুপুরে গ্যাসের প্রেশার খুব কমে যায়।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .