প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি দক্ষতা বাড়াতে এমপির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
কেন্দুয়া-আটপাড়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শিক্ষায় দক্ষতা বাড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী। তার নিজস্ব উদ্যোগ ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে কেন্দুয়া-আটপাড়া উপজেলায় চালু হচ্ছে ‘রফিক হিলালী ইংলিশ এক্সিলেন্স প্রোগ্রাম’।
শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে কথা বলা, লেখা, পড়া ও শোনার দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শিক্ষায় এগিয়ে নিয়ে উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, এ প্রোগ্রামের আওতায় ২ হাজার ৪৫০ শিক্ষার্থীকে পরিকল্পিত ও মানসম্মত ইংরেজি শিক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত ক্লাস, অনুশীলন ও বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হবে।
স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা মনে করছেন, এমন উদ্যোগ প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ব্যক্তিগত অর্থায়নে এমন দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষামূলক কর্মসূচি চালুর উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তারা।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীর এ উদ্যোগ শুধু একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নয়, বরং কেন্দুয়া-আটপাড়ার শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।
তাদের প্রত্যাশা, ‘রফিক হিলালী ইংলিশ এক্সিলেন্স প্রোগ্রাম’ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভীতি কাটবে, যোগাযোগ দক্ষতা বাড়বে এবং উচ্চশিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার জন্য তারা আরও প্রস্তুত হয়ে উঠবে।
শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে কেন্দুয়া-আটপাড়ায় ইংরেজি শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি অনুকরণীয় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
এ বিষয়ে ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কেন্দুয়া-আটপাড়া এলাকায় শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শিক্ষায় আগ্রহ বাড়াতেই মূলত এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
