Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ

রামপাল-মোংলায় নদী ভাঙন রোধে পাইলিং বাঁধ দেওয়া হবে

Advertisement

Icon

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:২১ পিএম

রামপাল-মোংলায় নদী ভাঙন রোধে পাইলিং বাঁধ দেওয়া হবে

রামপালের রমজাইপুর এলাকার তীব্র নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদ

Advertisement

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল উপজেলা রমজাইপুরসহ বিভিন্ন অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। চলমান ড্রেজিং ও আন্তর্জাতিক নৌরুটে প্রতিনিয়ত চলাচলকারী জাহাজের ঢেউসহ জোয়ার-ভাটার আঘাতে ভাঙনের সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ মানুষের বসবাসের নিরাপত্তায় অচিরেই নদী ভাঙন কবলিত এই এলাকায় পাইলিং বাঁধ নির্মাণ করা হবে। 

সোমবার সকালে বাগেরহাটের রামপালের রমজাইপুর এলাকার তীব্র নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদ।

এ সময় তিনি আরও বলেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল অংশে ভাঙনের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি। তবে ভাঙন রয়েছে মোংলার অংশেও। বর্তমানে চ্যানেলটির রমজাইপুর ছাড়াও সিংগড়বুনিয়ার পাকা রাস্তাসহ কয়েকটি বাড়ি ভেঙে নদীতে চলে গেছে। পেড়িখালী খেয়াঘাট, রামপাল সরকারি কলেজের মাঠও ভাঙনের কবলে পড়েছে। ওড়াবুনিয়ার অনেক বাড়িসহ প্রায় একশ একর কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুড়কার ছাড়াখালীতেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে ইতোমধ্যে ৩টি পয়েন্টে কাজ শুরু হয়েছে। অন্যসব এলাকায় নতুন করে ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত কার্যকরী ভূমিকা পালনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত পাল ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিরাজ মোল্লা জানান, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল ও মোংলা অংশের ভাঙন প্রতিরোধে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই ৩টি পয়েন্টে কাজ শুরু হয়েছে। অন্যসব এলাকায়ও নতুন করে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ শুরু হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম