Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

মুক্তিপণ চাওয়ার পর ফোন বন্ধ, কলেজছাত্রের পুঁতে রাখা লাশ উদ্ধার

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

মুক্তিপণ চাওয়ার পর ফোন বন্ধ, কলেজছাত্রের পুঁতে রাখা লাশ উদ্ধার

মো. শামীম

Advertisement

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর মাটির নিচ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় মো. শামীম নামের এক কলেজছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাঁচ দিন আগে দেড় লাখ টাকা চেয়ে ফোন আসে। এরপর থেকেই মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পুলিশের ধারণা ওই যুবককে শ্বাসরোধে হত্যার পর মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ভাদ্রা গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

মো. শামীম (২৩) ওই গ্রামের বিল্লাল মল্লিকের ছেলে। তিনি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ওই গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে অনিককে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ২১ আগস্ট বিকালে শামীম বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের দুই দিন পর ২৩ আগস্ট নিহতের বাবা বিল্লাল মল্লিক বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশ সন্দেহভাজন অবস্থায় অভিযুক্ত অনিককে (২৮) আটক করেন। তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের শিকার কলেজছাত্র শামীমের মোবাইল ফোন উদ্ধার ও তার তথ্যমতে বাড়ির পাশ থেকে মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বাবা বিল্লাল মল্লিক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, শামিমের মোবাইল থেকে বাড়িতে ফোন করে দেড় লাখ টাকা ৩০ মিনিটের মধ্যে পাঠাতে বলে ফোন বন্ধ করে দেয় অনিক। সন্তান হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।

নাগরপুর থানার ওসি মো. জহুরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অনিক নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ব্যাপারে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম