Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

মিমির হত্যাকারীর জবানবন্দিতে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

Icon

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৮ পিএম

মিমির হত্যাকারীর জবানবন্দিতে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

পিবিআই

জামালপুর শহরের পশ্চিম নয়াপাড়া রেলগেট এলাকায় ইশরাত জাহান মিমি হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মিমির হত্যাকারীর জবানবন্দিতে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

পিবিআই বলছে, অনৈতিক সম্পর্ক, ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ দাবিকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মিমিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় মিমির হত্যাকারী কাউসার আহমেদ খান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

নিহত ইশরাত জাহান মিমির লাশ গত ২৩ আগস্ট সকালে পশ্চিম নয়াপাড়া রেলগেটসংলগ্ন একটি ভবনের পঞ্চম তলার কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের মা মুক্তা বেগম বাদী হয়ে কাউসার আহমেদ খানসহ অজ্ঞাত দুইজনের বিরুদ্ধে জামালপুর সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।

কাউসারের জবানবন্দির বরাত দিয়ে পিবিআই জানায়, প্রায় তিন বছর আগে কাউসারের রাফি স্টোরে কেনাকাটার সূত্রে মিমির সঙ্গে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক তৈরি হয়।

পিবিআইয়ের দাবি, সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে মিমি কাউসারকে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করতেন। এতে কাউসার তার সঞ্চিত অর্থের পাশাপাশি জমি ও স্বর্ণালংকার বিক্রি করেও অর্থ দেন। পরবর্তীতে অর্থ দাবি ও বিভিন্ন বিষয়ে চাপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। ঘটনার দিন মিমি কাউসারকে বাসায় ডেকে টাকা দাবি করলে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। মিমি কাউসারের স্ত্রীকে ফোন করে তাদের অনৈতিক সম্পর্কের কথা জানিয়ে দেন। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কাউসার মিমির গলা চেপে ধরলে তার মৃত্যু হয় বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।

ঘটনার পর পালিয়ে যান কাউসার। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ আগস্ট তাকে গ্রেফতার করে পিবিআই।

গ্রেফতার কাউসার আহমেদ খান জামালপুর শহরের মনিরাজপুর গ্রামের মো. রফিক খানের ছেলে।

এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত জানান, সাক্ষ্য-প্রমাণ, পারিপার্শ্বিক তথ্য-উপাত্ত ও আসামির জবানবন্দি পর্যালোচনা করে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করা হবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম