Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

পাওনা টাকা আদায়ে সৌদিফেরত প্রবাসীর অভিনব পদ্ধতি

Advertisement

Icon

তৌহিদ জামান, যশোর

প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

পাওনা টাকা আদায়ে সৌদিফেরত প্রবাসীর অভিনব পদ্ধতি

পাওনা টাকা আদায়ে দেনাদারের বাড়ির নিচে বিভিন্ন ফেস্টুনসহ একটি টুল নিয়ে বসে আছেন আল আমিন (৪৫)। ছবি: যুগান্তর

Advertisement

যশোরে পাওনা টাকা আদায়ে দেনাদারের বাড়ির নিচে বিভিন্ন ফেস্টুনসহ একটি টুল নিয়ে বসে আল আমিন (৪৫) নামে এক প্রবাসফেরত ব্যক্তি অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। গত দুই দিন ধরে নিয়ম করে এই প্রতীকী অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। 

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকাল থেকে তিনি শহরের আরএন রোড এলাকায় ‘রওনক সানফ্লাওয়ার’ টাওয়ারের নিচে এই প্রতীকী অনশন শুরু করেন। 

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় আবারও অনশনে বসেছেন তিনি। টাকা আদায় না হওয়া পর্যন্ত তার এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন আল আমিন।

শারীরিকভাবে অসুস্থ আল আমিন যশোর শহরের নাজির শঙ্করপুর এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে।

আল আমিন জানান, চার বছর আগে তিনি এই টাওয়ারের অন্যতম শরিক মালিক সাদাত শাহরিয়ার পলাশের কাছ থেকে একটি দোকানঘর বায়নামূলে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকায় গ্রহণ করেন। তিনি তার বিয়াই মিজানুর রহমানের মাধ্যমে এই টাকা পরিশোধ করেন। চার মাস আগে তিনি সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন। দেশে ফিরে তিনি পায়ে এবং পায়ুপথে দুটি অপারেশন করান। বর্তমানে দারুণ অর্থকষ্টে রয়েছেন। সেই কারণে কয়েক দফা তিনি তার পাওনা টাকা চেয়েছেন, কিন্তু তাকে সেই টাকা বুঝিয়ে না দিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে। 

আল আমিন বলেন, বায়না নেওয়ার পর থেকে আমি ও আমার স্বজন মিজানুর রহমান সাদাত শাহরিয়ার পলাশকে কয়েক দফা দোকানটি রেজিস্ট্রি করে দিতে বলি; কিন্তু আজ দেয়, কাল দেয় বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। জমি রেজিস্ট্রি করে না দেওয়ায় আমি সেই টাকা ফেরত চাইলে নানা ধরনের টালবাহানা করা হচ্ছে। টাকা ফেরত পেতে অনন্যোপায় হয়ে এ অনশনে বসেছি। শরীর অনেক অসুস্থ থাকার পরেও বাধ্য হচ্ছি।

এমতাবস্থায় তার পাওনা টাকা ফেরত পেতে তিনি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আবেদন করেন। 

প্রতীকী অনশনকারী আল আমিন বলেন, যতদিন পর্যন্ত পাওনা টাকা আদায় না হবে, ততদিন এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

আল আমিনের আত্মীয় মিজানুর রহমান বলেন, চার বছর আগে ১৭৭ স্কয়ার ফিট আয়তনের দোকানঘরটি ১০ লাখ ২০ হাজার টাকায় নেওয়া হয়; কিন্তু বারবার বলা সত্ত্বেও পলাশ সাহেব দোকানঘর আল আমিনের নামে রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না। দোকানঘরটি বর্তমানে তালাবদ্ধ আছে এবং আমি সেই দোকান গুদামঘর হিসেবে ব্যবহার করছি।

টাকা গ্রহণ করে দোকান রেজিস্ট্রি করে না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী সাদাত শাহরিয়ার পলাশ যুগান্তরকে বলেন, আমাদের আম্মা বেঁচে থাকাকালে তার ইচ্ছায় দোকানঘরটি আল আমিনকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। বছরখানেক আগে আম্মা মারা গেছেন। দোকানঘরটি রেজিস্ট্রি করে দিতে গেলে আমার অন্য শরিক তিন বোন রাজি হচ্ছেন না। যদিও বায়নার সেই ১০ লাখ টাকা শরিকরাও নিয়েছেন।

তিনি বলেন, আল আমিনের সঙ্গে আমার দুই দফা কথা হয়েছে। তাকে বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব দোকান অন্যত্র বিক্রি করে তার টাকা ফেরত দিয়ে দেব।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

যশোরে মাদ্রাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে নিপীড়নের অভিযোগ

যশোরে মাদ্রাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে নিপীড়নের অভিযোগ

যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ জামায়াতের ৫ এমপির

ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ জামায়াতের ৫ এমপির

দেশের প্রথম রাজনৈতিক কার্যালয়ে বসল সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে

দেশের প্রথম রাজনৈতিক কার্যালয়ে বসল সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে

প্রতিমা দেখতে বেরিয়ে আর ঘরে ফেরা হলো না শোভন-দিশার

প্রতিমা দেখতে বেরিয়ে আর ঘরে ফেরা হলো না শোভন-দিশার

‘শুক্রবার রাতেও কথা হয়, ওদের সঙ্গে আর কথা হবে না’

কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ড ‘শুক্রবার রাতেও কথা হয়, ওদের সঙ্গে আর কথা হবে না’

আরও পড়ুন

পাট পেঁয়াজ রসুন চালসহ বিভিন্ন পণ্যের ৯ গুদাম পুড়ে ছাই

পাট পেঁয়াজ রসুন চালসহ বিভিন্ন পণ্যের ৯ গুদাম পুড়ে ছাই

চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ২

চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ২

সীমান্তে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ বিএসএফের

সীমান্তে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ বিএসএফের

পলাতক অবস্থায় মৃত্যু, সাঈদীর মামলার বাদীর দাফন নিয়ে যা জানা গেল

পলাতক অবস্থায় মৃত্যু, সাঈদীর মামলার বাদীর দাফন নিয়ে যা জানা গেল

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম