Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

১৫ দিনেও সন্ধান মেলেনি কাদেরের

Advertisement

Icon

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম

১৫ দিনেও সন্ধান মেলেনি কাদেরের

মো. আব্দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার-কান্দিরপাড় এলাকার বাসিন্দা ও গ্রাম পুলিশ মো. আব্দুল কাদের নিখোঁজ হওয়ার ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। 

দীর্ঘ সময়েও সন্ধান না মেলায় স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় প্রতিটি প্রহর গুনছেন তারা।

জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে আব্দুল কাদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় কচুয়া উপজেলার বারৈয়ারা এলাকা থেকে দাউদকান্দি উপজেলার মলয় বাজারের উদ্দেশে রওয়ানা হন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজের পরদিন সকালে স্থানীয় লোকজন তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন। মোবাইল ফোন দুটি পাওয়া গেলেও আব্দুল কাদেরের কোনো সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কচুয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, জিডি করার পরও তারা প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি। তবে পুলিশ বলছে, নিখোঁজের পর থেকেই তাদের সাধ্য অনুযায়ী আব্দুল কাদেরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আব্দুল কাদেরের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার জানান, তার স্বামী গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাচার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতেন। নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন আগে পাশের দাউদকান্দি উপজেলার পিপিয়াকান্দি গ্রামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে তার স্বামী হুমকি পেয়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। এরপর থেকে আব্দুল কাদের কিছুটা আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন বলে জানান রাবেয়া।

তিনি বলেন, স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে পরিবারের সবাই দুশ্চিন্তায় রয়েছে। কোথায় আছেন, কী অবস্থায় আছেন—কোনো কিছুই জানতে পারছি না। তাকে জীবিত অবস্থায় দ্রুত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আকুতি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নিখোঁজের পর থেকেই আমাদের সাধ্য অনুযায়ী আব্দুল কাদেরকে খোঁজাখুঁজি করার চেষ্টা করেছি। এখনো আমাদের পুলিশি চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম