Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

আচমকা হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ফার্মাসিস্টকে বদলি

Advertisement

Icon

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম

আচমকা হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ফার্মাসিস্টকে বদলি

আচমকা হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Advertisement

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ঝটিকা সফর করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এমপি। এ সময় বিনা ছুটিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট রিগান আহমেদকে বদলি করা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১টায় কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই তিনি হাসপাতালটিতে সফর করেন।

এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। রোগীদের চিকিৎসাসেবা, হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং রোগীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে সরাসরি খোঁজখবর নেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব, জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার, হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. জাভেদ জিল্লুল বারী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হকসহ কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এমপি। তিনি বলেন, গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অত্যন্ত অবহেলা করেছে। কোনো কাজ করেনি। বরং চুপ করে ছিল। হাসপাতালের ৫ বছর আগের একটি জেনারেটর ফেলে রেখেছে। কোনো কার্যক্রম করেনি। শনিবার আমি নির্দেশনা দিয়েছি এটি খুলে দেখার জন্য। যেন কাজে লাগানো যায়। ডাক্তার নিয়োগ করেনি। টাকা পয়সা লুট করেছে। প্রতিটি কাজে অবহেলা করেছে। শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করেনি। নতুন ভবন করেনি। বিভিন্ন খাত থেকে প্রচুর লুটপাট করেছে।

তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আসলে জনসংখ্যার তুলনায় প্রায় হাসপাতালগুলোতেই রোগী অত্যধিক হওয়ায় বেডের বাইরেও রোগী থাকতে হয়। সব রোগীকে খাবার দেয়া যায় না। কোড নাম্বার দিতে হয় ১শ এর জন্য, কিন্তু রোগী হয় আড়ইশ। বেড, খাবার আমরা বৃদ্ধি করছি। আমি অন্য জায়গায় যা দেখেছি তার থেকে এখানে অনেক খারাপ অবস্থা। এখানে ডাক্তার অপ্রতুল। এতো রোগীর তুলনায় ডাক্তারের সংখ্যা অনেক কম। ইনশাআল্লাহ আমরা ডাক্তারের সংখ্যা বৃদ্ধি করব। ইতোমধ্যেই ৫ জন ডাক্তার আমরা এখানে পদায়ন করেছি। তারা যোগদানের পর আরও ডাক্তার আমরা ইনশাআল্লাহ এখানে দেব।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মেডিকেল কলেজে ৫০টি এবং সদর হাসপাতালের জন্য ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়া হবে। প্রতিটি জেলায়ই এভাবে দেওয়া হবে। তাহলে ঢাকা বা অন্য কোনো বড় শহরের ওপরে রোগীর চাপ অনেক কমে যাবে। ইউনিয়ন হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স থাকবে। তারা ঘরে ঘরে দিয়ে মায়েদের দেখবে। বিভিন্ন পরীক্ষা করবে। আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যায়।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম