ময়মনসিংহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ময়মনসিংহের ত্রিশালে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মার্জিয়া খাতুন (২২) ও শহিদুল (৩৮) নামে দুজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টা ও সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পৃথক দুটি স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ত্রিশাল থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল পৌনে ১০টার দিকে ত্রিশাল পৌরসভার দরিরামপুর এলাকায় সাইফুল কমিশনারের বাড়ির সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের ইউটার্নে একটি দুর্ঘটনা ঘটে।
মার্জিয়া খাতুন তার মামী মমিনা খাতুন (৩০) ও মামাতো বোন চাদনীকে (১৫) সঙ্গে নিয়ে ভ্যানগাড়ি যোগে ত্রিশাল থানাধীন পোড়াবাড়ি বাজার এলাকায় কবিরাজ দেখাতে যাচ্ছিলেন। তারা কোতোয়ালী থানার চুড়খাই কোনাপাড়ায় তার বাবার বাড়ি থেকে রওয়ানা হন।
পথে দরিরামপুর এলাকায় অসাবধানতাবশত ভ্যানগাড়ি থেকে মার্জিয়া পড়ে গেলে পেছন থেকে আসা অজ্ঞাতনামা একটি বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
মার্জিয়া উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের চরকুমারিয়া এলাকার তামিম মিয়ার স্ত্রী।
অন্যদিকে, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ত্রিশাল থানাধীন বৈলর ইউনিয়নের সম্মুখে বৈলর দারুত তাকওয়া হিফজ মাদ্রাসার সামনে মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে রাস্তা পার হচ্ছিলেন শহিদুল। এ সময় পেছন থেকে আসা অজ্ঞাতনামা একটি অ্যাম্বুলেন্স তাকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
শহিদুল পাশের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাধাকানাই গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ত্রিশাল থানাধীন সম্মুখ বৈলর এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি আব্দুল কদ্দুসের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পেশায় তিনি দিনমজুর ছিলেন।
ত্রিশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সবুজ জানান, দুর্ঘটনার পর লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে কোনো অভিযোগ না থাকায় মার্জিয়া খাতুনের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শহিদুলের লাশ এখনো থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
