ভারত হাসিনাকে ফেরত দিলে অ্যারেস্ট করা হবে, জেলে যেতে হবে
মাদারীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ পিএম
আইনশৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের সাজাপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের বহু লোকজন ভারতে পালিয়ে আছেন। তারাও সাজাপ্রাপ্ত। এক্সেকিউশনের (বন্দি বিনিময় চুক্তি) মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ফেরত আনা হবে; তখনই বাংলাদেশের আইনে তাকে অ্যারেস্ট করা হবে এবং জেলে যেতে হবে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের এক্সেকিউশন চুক্তির আওতায় আমরা কিন্তু সেই কমিউনিকেশন ভারত সরকারের সঙ্গে করছি। ভারত সরকার বলেছে এটি একটি আইনগত ব্যাপার। তাদের বিচার বিভাগ এটা দেখছে। এখানে পার্থক্যটা হচ্ছে উনারা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। কোথায় বসে কী বলছে এটা বিবেচ্য বিষয় না বাংলাদেশ সরকারের জন্য। বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারের সঙ্গে কমিউনিকেশনে আছে যোগাযোগে আছে।
মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- মাদারীপুর-২ আসনের এমপি জাহান্দার আলী মিয়া, মাদারীপুর-৩ আসনের এমপি আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার, মাদারীপুর-১ আসনের এমপি সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা, সংরক্ষিত আসনের এমপি হেলেন জেরিন খান। সভায় পুলিশ সুপার, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শামা ওবায়েদ আরও বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের ১৪টি জেলা নিয়ে কাজ করেছি; যার মধ্যে মাদারীপুর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মাদারীপুরের মানবপাচার বিষয়টি আন্তর্জাতিক দালাল চক্রের একটি বিষয়। দেশ এবং বিদেশে এই দালাল চক্র অবস্থান করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী যারা রয়েছেন আমি তাদের বলব, আপনারা এই দালালদের আইডেন্টিফাই করেন। দালালদের নাম পরিচয় আপনাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে দেন তাহলে আমরা চেষ্টা করতে পারি- হয়তো আমরা আন্তর্জাতিকভাবে তাদের ধরার চেষ্টা করতে পারি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি কেউ যদি বিদেশে বসে আমাদের দেশের মানুষদের মানবপাচারে করে বা করছে আপনাদের কাছে কোনো তথ্য থাকলে অবশ্যই আমাদের সেটা দিবেন; আমাদের সরকার সেটা সচেষ্টভাবে সমাধান করবে। এ সমস্যা সমাধানের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে একটি কমিটি করে দিয়েছি এ বিষয়ে কাজ করার জন্য। লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার প্রবণতা রোধ করার জন্য আমরা একাধিকবার ইতালি সরকার লিবিয়া সরকারের সঙ্গে বসেছি কিভাবে এ বিষয়ের সমাধান করা যায়।
