Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

পেকুয়ায় চাচা-ভাতিজাকে কুপিয়ে জখম, অভিযুক্ত আটক

Advertisement

Icon

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম

পেকুয়ায় চাচা-ভাতিজাকে কুপিয়ে জখম, অভিযুক্ত আটক

ফাইল ছবি

Advertisement

কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার প্রস্তাবিত ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাইম্যাখালী এলাকায় চাচা-ভাতিজাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে মুবিন (৩০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন— বাইম্যাখালী এলাকার মোহাম্মদ ওসমানের ছেলে ছোটন (১৭) ও মৃত মনজুর আলমের ছেলে আসকর আলী (২৮)। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাড়ির উঠানে চলাচলের সুবিধার্থে রাস্তার পাশে স্তূপ করে রাখা বালু সরিয়ে নেওয়ার সময় মুবিন সেখানে গিয়ে ছোটনের কাছে রাস্তায় বালু রাখার কারণ জানতে চান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে মুবিন হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে ছোটনকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।

ছোটনের চিৎকার শুনে তার চাচা আশকর আলী এগিয়ে এসে তাকে হামলাকারীর হাত থেকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। এ সময় মুবিন তাকেও ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। এতে আশকর আলীর তিনটি আঙুল প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, দুজনকে কুপিয়ে আহত করার পর মুবিন পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

আহত দুজনকে প্রথমে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।

অভিযুক্ত মুবিন (৩০) বারবাকিয়া ইউনিয়নের ফাঁসিয়াখালী এলাকার নুর হোসেনের ছেলে। তিনি বাইম্যাখালী নানার বাড়ি এলাকায় বসবাস করেন।

স্থানীয় কয়েকজন লোক জানান, তারা মুবিনকে হাতে ধারালো দা নিয়ে পেকুয়া বাজারে দেখছিল। এর বিশ মিনিট পর দুজনকে কোপানোর খবর ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারে। 

তারা বলেন, মুবিন একজন মাদকাসক্ত লোক। প্রতিনিয়ত ইয়াবাসেবন ও চুরি চামারির সঙ্গে জড়িত। এলাকায় সে মুবিন চোরা নামে পরিচিত। 

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মেহেদী হাসান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ধারালো অস্ত্রটিও উদ্ধার করা হয়েছে। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম