Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ

Advertisement

Icon

সিদ্ধিরগঞ্জ দক্ষিণ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫০ পিএম

ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ

Advertisement

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাত্র ছয় বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী শিশুটি জেলার ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে নিজ বাসায় রয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে কোনো এক ব্যক্তি এ জঘন্য কাজ করেছেন বলে দাবি পরিবারের।

ভুক্তভোগী অবুঝ শিশুর পিতা একজন অটোরিকশাচালক। তারা (নাসিক) ৯নং ওয়ার্ডের জালকুড়ির পাঙাশা মাজারসংলগ্নে ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করছেন। 

বিষয়টি জেনে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক।

শিশুটির নানা বলেন, গতরাত ৯টায় আমার নাতনি তার দাদির সঙ্গে পেনসিলসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটার জন্য বাসার বাহিরে যায়। কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরার পর তার দাদির কাছে মজা খাওয়ার জন্য ১০ টাকা নিয়ে দোকানের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর তাকে দীর্ঘক্ষণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে রাত ১১টার সময় জালকুড়ি পাম্পের সামনে অচেতন অবস্থায় পেয়ে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাই।

তিনি বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিকভাবে রক্তপাত বন্ধ করে এবং ইনজেকশন দিয়ে কিছুটা সুস্থ করেছেন। নাতনির জ্ঞান ফেরার পর তাকে জিজ্ঞেস করা হলে সে ওই জানোয়ারের বিবরণ হিসেবে শুধুমাত্র লম্বাচুড়া এতটুকুই বলতে পেরেছে; কিন্তু তাকে চেনে না। 

এরপর ডাক্তার আমাদের থানায় পাঠিয়েছে। আমরা থানায় গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানালে তারা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে তদন্ত করে মামলা নেবে বলে জানিয়েছেন। 

ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুম বিল্লাহ জানান, কে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে- বাচ্চাটা তা বলতে পারছে না। আমি বর্তমানে তাদের বাসাতেই রয়েছি। আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। তদন্ত চলমান আছে। 

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় এসেছিল। ঘটনাটি কে ঘটিয়েছে তা পরিবার নিশ্চিত না। আমি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে এসআই মাসুম বিল্লাহকে পাঠিয়েছি। পরিদর্শন শেষে বিস্তারিত বুঝে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এখনো লিখিত অভিযোগ হয়নি।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম