Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

বলেশ্বর নদে বিশাল আকৃতির কুমির, স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক

Advertisement

Icon

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম

বলেশ্বর নদে বিশাল আকৃতির কুমির, স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক

Advertisement

বাগেরহাটের শরণখোলার বলেশ্বর নদে বিশাল একটি কুমিরের দেখা মিলেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে সুন্দরবনসংলগ্ন সাউথখালী ইউনিয়নের বাবলাতলা ও গাবতলা এলাকায় কুমিরটি দেখতে পান স্থানীয়রা।

কুমিরটি এক নজর দেখতে নদের পাড়ে ভিড় করেন উৎসুক শত শত মানুষ। বলেশ্বর নদে প্রথমবার হঠাৎ করে কুমিরের এমন বিচরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নদের পাড়ের বাসিন্দা ও মৎস্য আহরণে নিয়োজিত জেলেরা।

স্থানীয় বাসিন্দা রাজু হাওলাদার, আনোয়ার খলিফাসহ অনেকেই জানান, কুমিরটি প্রথম দক্ষিণ সাউথখালীর বাবলাতলা এলাকার বেড়িবাঁধসংলগ্ন বলেশ্বর নদে জেগে ওঠে। সেখান থেকে ডুব দিয়ে আবার কিছুক্ষণ পরপরই মাথা ও শরীরের অংশ ভাসিয়ে সাঁতার কাটতে দেখা যায়। এভাবে প্রায় আধা কিলোমিটার ডুব-সাঁতারে গাবতলা পর্যন্ত চলে আসে। এরপর চলে যায় মাঝ নদীতে।

অনেক প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তাদের ধারণা কুমিরটি ১০-১২ ফুট লম্বা হবে।

বলেশ্বর নদে অনেকে নৌকায় আবার কেউ নদীতে নেমে জাল টেনে মাছ ধরেন। তাছাড়া নদের পারের বেশিরভাগ নারী-পুরুষ ও শিশু নদীতে নেমে গোসলসহ দৈনন্দিন কাজ করে থাকেন। হঠাৎ কুমিরের দেখা মেলায় সবার মধ্যে ভয় ঢুকে পড়েছে।

সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, সুন্দরবনের আলীবান্দা ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র এলাকার বাইরে একটি বিশাল আকৃতির কুমির প্রায়ই দেখা যায়। সেখান থেকে কুমিরটি মাঝেমধ্যে রেঞ্জ অফিসের সামনের শরণখোলা ও বগী ভাড়ানি দিয়ে তেড়াবেকা পর্যন্ত বিচরণ করে থাকে। পরে আবার আলীবান্দায় ফিরে আসে।

তিনি জানান, বলেশ্বর নদ সুন্দরবনের নিকটবর্তী হওয়ায় কুমির যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। হয়তো কোনো কারণে বলেশ্বরে চলে গেছে কুমিরটি। তবে এর আগে কখনো বলেশ্বর নদে কুমির গেছে বলে শোনা যায়নি। সুন্দরবনের এই কুমিরটি ১২-১৩ ফুট লম্বা হবে। যেহেতু নদের পারের বহু মানুষ মৎস্যজীবী। তাই তাদের সতর্কতার সঙ্গে মাছ ধরতে বলা হয়েছে। স্থানীয়রা যাতে নদীতে নেমে গোসল না করেন, সে ব্যাপারেও সাবধান করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বগী ফরেস্ট স্টেশন অফিসের বনরক্ষীদেরও কুমিরের গতিবিধি নজরে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মো. খলিলুর রহমান।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম