সরকারি দপ্তরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়িয়ে বিভ্রান্তির চেষ্টা
Advertisement
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রামে বিআরটিএসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগী ও কতিপয় সুবিধাবাদী চক্র নানা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক দলের নেতারা।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব কথা বলেন।
শ্রমিক সংগঠনের নাম ব্যবহার করে সরকারি কর্মকর্তাদের হয়রানি ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন ও বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার।
এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সিএনজিচালিত অটোরিকশা শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি মোহাম্মদ রাকিব উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম বিআরটিএ কার্যালয়সহ একাধিক সরকারি দপ্তরে একটি মহল শ্রমিক সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সংবলিত চিঠি গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রচার করছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধন ও অর্থায়ন রয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সিএনজি অটোরিকশা হালকাযান পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. শিপন ও সাধারণ সম্পাদক মো. জহির উদ্দিনের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জাতীয়তাবাদী সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক দলের কোনো সম্পর্ক নেই। উক্ত ব্যক্তিবর্গ নিজস্ব স্বার্থ হাসিলে সংগঠনের নাম অপব্যবহার করছেন।
এ বিষয়ে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি অভিযোগ করে বলেন- সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালিয়ে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করার চেষ্টা হচ্ছে। এর পেছনে বিগত সরকারের সহযোগী হিসেবে পরিচিত একটি মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকারের সুবিধাবাদী চক্র বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক স্বাভাবিক কার্যক্রম অকার্যকর করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। নিজেদের অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা হাসিলে ব্যর্থ হয়ে তারা বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও সরকারি দপ্তরের বিরুদ্ধে মনগড়া তথ্য ও বেনামী অভিযোগপত্র ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
