যুবদল-বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ
Advertisement
চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চান্দিনায় সরকার ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড প্রদান চালু না হলেও গ্রামের অসহায় দরিদ্র পরিবার থেকে ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মহিচাইল ইউনিয়নের জামিরাপাড়া, জোরপুকুরিয়া ও ছেঙ্গাছিয়া গ্রামের অর্ধশতাধিক অসহায় নারীদের কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নাম করে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ছবি ও জনপ্রতি ৫শ টাকা নেয় এক যুবদল ও এক বিএনপি নেতা।
অভিযুক্তরা হলেন- মহিচাইল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খোরশেদ আলম এবং জোরপুকুরিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা আবুল হোসেন। তাদের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলেও এক মাসেও কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী নারী জোরপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা রাশিদা বেগম জানান, বিএনপি নেতা আবুল হোসেন আমার ও আমার দুই পুত্রবধূর কাছ থেকে ২ কপি ছবি, এনআইডি কার্ডের ফটোকপি ও প্রতিজনের জন্য ৫শ টাকা করে নিয়েছে। প্রায় দুই মাস পরও আমরা ফ্যামিলি কার্ড না পেয়ে তার কাছে যাই এবং তিনি আমাদের বিভিন্ন কথা বলে ঘুরাতে থাকেন। পরে বাধ্য হয়ে আমরা এলাকার কয়েকজনকে জানাই এবং তারা আমাদের পক্ষ হয়ে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
একই অভিযোগ করেন জামিরাপাড়া ও ছেঙ্গাছিয়া গ্রামে আয়েশা, হালিমা ও নূরজাহানসহ ভুক্তভোগী নারীরা।
অভিযুক্ত যুবদল নেতা খোরশেদ আলম জানান, আবুল হোসেনের কথামতো কাগজপত্র ও টাকা নিয়েছি। যে টাকা নিয়েছি সেগুলো চান্দিনা সদরে যাতায়াত ও অনলাইনে আবেদন খরচ হিসেবে নিয়েছি।
অভিযুক্ত আবুল হোসেন বলেন, আমি তিন গ্রামে ৫৯টি আবেদনের জন্য কাগজপত্র ও টাকা নিয়েছি। সেই টাকা ও কাগজপত্র এখনও আমার কাছে আছে। যারা চাইবে তাদের ফেরত দিয়ে দেব।
চান্দিনাতে এখনো কি ফ্যামিলি কার্ড চালু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আগে নিয়ে রেখেছি, যখন চালু হবে, তখন দেব।
ইউএনও মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যেহেতু আমার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন আমি আবেদনটি দেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
