Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

হাসপাতালে গিয়ে হামে সংক্রমিত হয়েছে অধিকাংশ শিশু

Advertisement

Icon

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৬ এএম

হাসপাতালে গিয়ে হামে সংক্রমিত হয়েছে অধিকাংশ শিশু

সংগৃহীত

Advertisement

চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০০ জন শিশুকে নিয়ে যৌথ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক), এসপেরিয়া হেলথ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) পেডিয়াট্রিক রিসার্চ গ্রুপ। গবেষণায় দেখা গেছে, হাম আক্রান্ত শিশুদের বড় একটি অংশ রোগী হিসেবে হাসপাতালে গিয়ে সংক্রমিত হয়েছে। এছাড়া শিশুদের শারীরিক জটিলতা ও হামে আক্রান্ত হওয়ার পেছনের কারণ হিসেবে অপুষ্টির বিষয়টিও উঠে এসেছে। এসব শিশুর দেহে শতভাগ ক্ষেত্রে ‘বি৩ জেনোটাইপ’ ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে চমেকের কনফারেন্স হলে ‘মিজলস আউটব্রেক ২০২৬ ইন সাদার্ন বাংলাদেশ: এপিডেমিওলজিক্যাল প্রোফাইল, ক্লিনিক্যাল ক্যারেক্টারিস্টিকস, জেনেটিক অ্যানালাইসিস উইথ ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড অ্যান্টিবডি স্ট্যাটাস’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চমেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও গবেষকেরা।

জানা গেছে, গবেষণায় থাকা আক্রান্ত ৩০০ জন শিশুর মধ্যে ৮৫ দশমিক ২ শতাংশই ছিল টিকাবিহীন। প্রায় ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশই কোনো না কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতাল থেকে হামের ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে, যা হাসপাতালগুলোর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দুর্বলতাকে নির্দেশ করে। আর ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ শিশু পূর্বে হামে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছে বলে তথ্য মিলেছে। এছাড়া ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো হয়নি। এসব শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই দুর্বল। গবেষণার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক দিক ছিল ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষায় শতভাগ নমুনায় ‘বি৩ জেনোটাইপ’ শনাক্ত হওয়া। যা আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে পূর্বে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

চসিক ও চমেকের পেডিয়াট্রিক রিসার্চ গ্রুপের সহযোগিতায় এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। এতে মূল গবেষক ছিলেন চমেকের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কামরুন নাহার। গবেষণার উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন চমেকের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা মিয়া ও চমেক মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান এমএ হাসান। এছাড়া সহযোগী হিসেবে ছিলেন ডা. সেলিনা হক, ডা. আয়েশা বেগম, ডা. মোহাম্মদ জাবেদ বিন আমিন চৌধুরী, ডা. সায়েদা হুমায়দা হাসান, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ডা. আসমা ফেরদৌসী ও ডা. সানজানা ইসলাম, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মিয়া মনজুর আহমেদ এবং কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. এম এস জামান।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম