Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, কৃষি কর্মকর্তা অবরুদ্ধ

Advertisement

Icon

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম

সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, কৃষি কর্মকর্তা অবরুদ্ধ

সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ। ছবি: যুগান্তর

Advertisement

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরীতে সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে (বিএস) গুদামে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। পরে সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ওই কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরীর ইউএনও।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টায় জেলার নাগেশ্বরী বল্লভেরখাস ইউনিয়নের গাবতলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, এ বাজারে অবস্থিত ডিলার পয়েন্ট ভাই ভাই মেশিনারীজে সকাল ৮টা থেকে কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু ডিলার ভোর থেকে সার বিতরণের শুরু করে ৮টার আগেই শেষ করে। ৮টার সময় আসা কৃষকেরা সার না পেয়ে কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে গুদামে অবরুদ্ধ করেন এবং মাদারগঞ্জ-ভূরুঙ্গামারী সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।

বিক্ষুব্ধ কৃষকের রোষানল থেকে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে বাঁচাতে গুদামে পুলিশ পাহারা বসানো হয়। পরে ৪ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এসে জনগণকে শান্ত করার চেষ্টা করে এবং পুলিশি নিরাপত্তায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে গুদাম থেকে উদ্ধার করে নিজ গাড়িতে তুলে নিয়ে নাগেশ্বরী ফিরে যান।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ওই ডিলার পয়েন্টে ৮০ বস্তা সার বিতরণ করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় বিতরণ শুরু করি। বিতরণ সুষ্ঠু হয়েছে। বিতরণ শেষে কয়েক শত কৃষক এসে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেন। তারা সার না পেয়ে আমাকে অবরুদ্ধ করে এবং রাস্তা অবরোধ করে রাখেন। পুলিশের সহযোগিতায় দুপুর ১২টার পর ইউএনও স্যার আমাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসে। 

কচাকাটা থানার ওসি অর্পণ কুমার বলেন, সারের দাবিতে কিছু কৃষক সড়ক অবরোধ করেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে তা তুলে নেয়। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত আছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, সুষ্ঠুভাবে সার বিতরণ হয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় বেশি কৃষকের সমাগম হওয়ায় উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ সময় কৃষকদের সার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কৃষকরা পরে অবরোধ তুলে নেয়। অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে জেলায়। আশা করি শিগগিরই বরাদ্দ পাওয়া যাবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম