Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড: আটকের আগে যে পোস্ট দিয়েছিল আনাস

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৫ এএম

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড: আটকের আগে যে পোস্ট দিয়েছিল আনাস

Advertisement

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক শাহরিয়ার আনাসের (১৮) ফেসবুক পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আটক হওয়ার আগে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে একটি সংবাদমাধ্যমের খবরের ফটোকার্ড শেয়ার করেন আনাস। ক্যাপশনে লিখেন- ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন। বাচ্চাদের কাছে দামী জিনিস, তার জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ।

আনাস লিখেছে, আল্লাহ তার মা, বাবাকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করুক।

অপ্রতিমের সঙ্গে স্মৃতিচারণ করে আনাস লিখেন, মাঝেমধ্যে ছেলেটা আমাকে মেসেজ দিয়ে বলতো যে ভাই কই আছো, ছবি তুলব কয়েকটা। আসলে এগুলো ভেবে এখন খারাপই লাগতেছে।

এই পোস্ট দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার পরই আনাসকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে পুলিশ। এরপরই আনাসের এই পোস্ট আলোচনায় আসে। ইতোমধ্যেই নেটিজেনদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে আনাসের দেওয়া এই পোস্ট।

পুলিশের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপ্রতিমের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করা প্রথম সন্দেহভাজন তুহিনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহরিয়ার আনাসকে আটক করা হয়।

এদিকে অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় তুহিন, আনাস ছাড়াও ফাহিম নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর ছড়িয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত প্রশাসনের কেউই ফাহিমের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম নামের ১৩ বছরের এক কিশোর। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান অপ্রতিম। শুক্রবার বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেনি অপ্রতিম। পরে তার বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের পরদিন শনিবার দুপুর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটের পাশে লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা গ্রামের ঝোঁপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

অপ্রতিম কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন (১৯) নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিকালে আনাস নামের আরও একজনকে আটক করেছে এসআরবি। ধারণা করা হচ্ছে-আইফোনটি নেওয়ার জন্য তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঘটনার বিষয়ে রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জেলা পুলিশ।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম