Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

আগুন নিয়ন্ত্রণে, রয়ে গেছে কিছু প্রশ্ন

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, সাভার

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম

আগুন নিয়ন্ত্রণে, রয়ে গেছে কিছু প্রশ্ন

কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী কাভার্ডভ্যানে বিস্ফোরণের ঘটনায় আগুন

Advertisement

আশুলিয়ার জামগড়ায় প্রীতি গ্রুপের এফ অ্যান্ড এফ কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী কাভার্ডভ্যানে বিস্ফোরণের ঘটনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন নিভে যাওয়ার পরও ঘটনাস্থলে রয়ে গেছে একাধিক প্রশ্ন।

বিস্ফোরণের ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। আগুন নিয়ন্ত্রণের পর কাভার্ডভ্যান থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বজনদের আহাজারি ও উৎকণ্ঠার পাশাপাশি কারখানা চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, কারখানা চত্বরে গ্যাসভর্তি একাধিক কাভার্ডভ্যান রাখা ছিল। একটি ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন অন্য ভ্যানগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরিত সিলিন্ডারের অংশ ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ ছিটকে আশপাশের মানুষ ও স্থাপনায় আঘাত করে।

স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, কারখানা চত্বরে এতগুলো গ্যাসভর্তি যান কেন ও কিভাবে রাখা হয়েছিল। এসব যান রাখার ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিরাপত্তাবিধি অনুসরণ করা হয়েছিল কিনা, তা নিয়েও তারা জানতে চান।

এছাড়া বিস্ফোরণের ঝুঁকি বিবেচনায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল কিনা, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।

স্থানীয়দের বক্তব্য, গ্যাসভর্তি যানবাহন রাখার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাব্যবস্থা যথাযথ না হলে এমন দুর্ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে। তাই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।

আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম আজ দুপুরে যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় সাতজন মারা গেছেন। মোসাম্মাৎ জয়নব (৫৫), বুলবুল হেসেন (৪৫), নজরুল ইসলাম (৪২) নামে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। সকালে ময়নাতদন্তের পর স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকিদের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, কারখানার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে পুলিশ।  তবে কোনোপক্ষ মামলার আবেদন করেনি।

ফায়ার সার্ভিসের সাভার জোনের ইনচার্জ হাফিজুর রহমান যুগান্তরকে জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতায় পুরো কারখানা চত্বর ও এর আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে এবং দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ দুর্ঘটনায় লরির ভেতর ও নিচ থেকে পাঁচজনসহ মোট সাতজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া অন্তত ৪০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, যেভাবে সিলিন্ডারগুলো লোকালি লোড করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অবৈধ।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম