Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

সন্ত্রাসী রায়হানের ফেসবুক পোস্ট

দুই পুলিশকে হত্যা করে ফাঁসানোর চেষ্টা, এসপি-ওসিকে সতর্কবার্তা

Advertisement

Icon

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২ পিএম

দুই পুলিশকে হত্যা করে ফাঁসানোর চেষ্টা, এসপি-ওসিকে সতর্কবার্তা

Advertisement

চট্টগ্রামের রাউজানে রাতে দায়িত্ব পালনকারী দুই পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে তাকে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী হিসেবে পরিচিত রায়হান আলম।

সোমবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম ও রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে সতর্ক করেছেন তিনি।

রায়হানের দাবি, প্রতিপক্ষ তাকে ফাঁসাতে এ ধরনের ছক কষছে এবং তার নাম ব্যবহার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।

‘সতর্ক বার্তা’ শিরোনামে দেওয়া ওই ফেসবুক পোস্টে রায়হান লেখেন- ‘আমার অ্যান্টি (প্রতিপক্ষ) গ্রুপগুলো আমাকে ফাঁসানোর জন্য অনেক রকমের ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তারা এই মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যারা রাতে ডিউটি করে তাদের মধ্যে থেকে দুজন পুলিশ নাকি মারতে হবে, হয় নাতোয়ান বাগিচা, না হয় পূর্ব রাউজান।’

এ পরিকল্পনার সঙ্গে ‘আজিজ আর ডাকাত গ্রুপ’ জড়িত বলেও তিনি দাবি করেন।

তবে এই দাবির পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য, নথি বা প্রমাণ তিনি পোস্টে উপস্থাপন করতে পারেননি।

এর আগে গত ২০ আগস্টও পুলিশের উদ্দেশে ফেসবুকে ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’ লিখে পোস্ট দিয়েছিলেন রায়হান।

পুলিশ সূত্র জানায়, রায়হান বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের অনুসারী এবং তার অপরাধচক্রের অন্যতম সদস্য। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বাড়ির মালিকের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে। চাঁদা না পেয়ে গুলিবর্ষণের একাধিক ঘটনার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে। রায়হান আলমের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। গত ২৯ জুলাই নোয়াখালীর সেনবাগে একটি বাসার ছাদ থেকে পুলিশি অভিযান টের পেয়ে রায়হান পালিয়ে যায়। বর্তমানে পলাতক অবস্থায় ফেসবুকে সরব রয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, রায়হানকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। রাউজানে যেকোনো ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম