গোডাউনে একের পর এক ঘোড়া জবাই, মাংস যাচ্ছিল হোটেলে
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাতের আঁধারে পুরোনো কারখানার গোডাউনে জবাই হচ্ছিল একের পর এক ঘোড়া। এরপর সেই মাংস প্রক্রিয়াজাত করে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন হোটেলে। শেষপর্যন্ত পুলিশের অভিযানে ভেস্তে গেছে সেই আয়োজন।
ঘটনাস্থল থেকে ১৩টি ঘোড়া জবাই করে মাংস প্রক্রিয়াজাত করার সময় ৯ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের মধ্যে একজনকে এক বছর এবং আটজনকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
বুধবার দুপুর ২টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর এলাকার একটি পুরোনো কারখানার গোডাউনে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার পূর্ব দাশড়া এলাকার লুৎফর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান, গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে রুবেল, জামালপুরের তুলসীপুর এলাকার জিল হাফেজের ছেলে সোহেল রানা, ঢাকার বাড্ডা এলাকার নিয়ামত মিয়ার ছেলে ইমন হাসান, একই এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে তুহিন, গাজীপুরের দিঘিরচালা এলাকার কালো মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম খলিল, ঢাকার বাড্ডা এলাকার নেয়ামতুল্লাহর ছেলে মাসুদ জানা, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী এলাকার আদম আলীর ছেলে হুমায়ুন কবির এবং ঢাকার বড় বেরাত এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মারুফ।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিক্তা খাতুন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে জাগীর এলাকার ওই গোডাউনে অভিযান চালায় সদর থানা পুলিশ। সেখানে ঘোড়া জবাই করে মাংস প্রক্রিয়াজাত করার সময় নয়জনকে আটক করা হয়। পরে বুধবার তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
তিনি জানান, সিংগাইর উপজেলার হিরু নামের এক ব্যক্তি ওই ৯ জনকে ভাড়া করে ঘোড়া জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াজাতের কাজ করাচ্ছিলেন। প্রক্রিয়াজাত করা মাংস ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন হোটেলে পাঠানোর কথা ছিল।
সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মনির হোসেন জানান, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ৪ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
