Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

এবার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার দিয়ে ঢালাই

Advertisement

Icon

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ পিএম

এবার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার দিয়ে ঢালাই

সেতুতে রডের পরিবর্তে জিআই তার ব্যবহার। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

নোয়াখালীতে সেতুতে রডের পরিবর্তে জিআই (গ্যালভানাইজড আয়রন) তার ব্যবহার এবং ঢালাইয়ে নির্ধারিত অনুপাতে সিমেন্ট না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এলজিইডি সরেজমিনে তদন্ত করে এর সত্যতা পায়। পরে বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মনসুর আহম্মেদ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে ফুটপাতের পাটাতন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।

বেগমগঞ্জ উপজেলার হাসানহাট বাজারসংলগ্ন নির্মাণাধীন ব্রিজ নির্মাণে এ অনিয়ম হয়েছে।  

উপজেলা প্রকৌশলী মনসুর আহম্মেদ জানান, ঠিকাদার অফিসকে অবহিত না করে কাজ করায় অফিসের সন্দেহ হয়। তখন তিনি সরেজমিনে তদন্ত করে কাজের গাফিলতি পেয়ে তা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেতুর নির্মাণকাজ তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগে বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ ও উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হক ট্রেডার্সকে নকশা ও নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ত্রুটিপূর্ণ কাজ সাত দিনের মধ্যে সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ কাজের বিল না দেওয়ার জন্যও সতর্কসহ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

এলজিইডি সূত্র জানায়, জমিদারহাট-সাহেবেরহাট-হাসানহাট হয়ে মাইজদী আঞ্চলিক মহাসড়কে ৪৯ দশমিক ০৬ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর পরিদর্শনে ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের কাজ নিম্নমানের এবং নকশা ও স্পেসিফিকেশন-বহির্ভূত বলে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া হাসানহাট বাজারসংলগ্ন প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন আরেকটি সেতুতেও রডের পরিবর্তে জিআই তার ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় লোকজনের ক্ষোভের পর ওই সেতুর কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয় এবং বর্তমানে সেতুটির কাজ বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মনসুর আহমাদ আহমেদ আরও বলেন, রডের পরিবর্তে জিআই তার ব্যবহার করা অংশগুলো অপসারণ করে নতুন করে নির্মাণের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের দায়ী করা হলেও এমন ব্যাখ্যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম