Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

Advertisement

Icon

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১০ পিএম

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। ছবি: যুগান্তর

Advertisement

সিলেট-ঢাকা ৬ লেন মহাসড়ক চলাচলের জন্য ২০২৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত হবে। একথা জানিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। শনিবার সিলেটে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও জানান, তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সিলেটে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সিলেট নগরীর কুশিয়ারা কনভেনশন হলে সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠান এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জালালাবাদ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিলেট বিভাগের সার্বিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুণগত শিক্ষার প্রসার’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে ৬ লেন প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও অগ্রগতি ছিল মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ এবং জমি অধিগ্রহণও হয়নি। বর্তমান সরকার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় ভূমি অধিগ্রহণ (প্রায় ৫৬ শতাংশ) ও ভৌত কাজে (প্রায় ২৭ শতাংশ) গতি এসেছে। সড়কটি চালুর পাশাপাশি দক্ষিণ সুরমায় নতুন বিসিক শিল্পনগরীর সংলগ্ন সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের অংশটি ৪ লেনে উন্নীত করা হবে। এর আগে সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সড়কটি পরিদর্শনে এসে জানান, ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে ৮টির কাজ সন্তোষজনক এবং ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে মহাসড়কটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

প্রযুক্তি ও শিক্ষার উন্নয়নে মন্ত্রী জানান, আইসিটি উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সিলেটে এআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে, যা তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি খাতে যুক্ত করবে। এছাড়া নগরের আইনশৃঙ্খলা ও অবকাঠামো শক্তিশালী করতে মুখ শনাক্তকরণ এবং রাতের নজরদারি সুবিধাসম্পন্ন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সিলেটের শিক্ষায় পিছিয়ে পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে রিডিং ও নিউমেরেসি দক্ষতা বৃদ্ধি, কারিগরি শিক্ষার বিস্তার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মিড’ডে মিল চালুর আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানসমূহে আরও উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেন— সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. দিদার চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, দি এইডেড হাইস্কুলের পরিচালনা কমিটির সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুল ইসলাম, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাশ্মীর রেজা, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বর্ষা দে এনি, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেনসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতারা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। সেমিনারে সিলেটের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের ১২০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সনদ প্রদান করা হয়।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম