সাবেক সার্জেন্ট বেলায়েতের তিন বছরের কারাদণ্ড, পরোয়ানা জারি
Advertisement
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রামে জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় সাবেক এক পুলিশ সার্জেন্টকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডিত সাবেক পুলিশ সার্জেন্টের নাম বেলায়েত হোসেন।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে মোট ৮৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪২ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. রেজাউল করিম রনি।
তিনি জানান, অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই আইনের ২৭(১) ধারায় তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৮৯ লাখ ২৭ হাজার ৭৪২ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দুটি ধারা মিলিয়ে মোট জরিমানার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪২ টাকা।
আদালত সূত্র জানায়, জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানে বেলায়েত হোসেনের নামে মোট ১ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে তার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৪৭ টাকা।
পাশাপাশি আয়কর নথিতে তার ঘোষিত পারিবারিক ব্যয় ও খরচের পরিমাণ পাওয়া যায় ৮৪ লাখ ৮ হাজার ৬৯১ টাকা। অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের হিসাব মিলিয়ে তার মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার ১৫৪ টাকা। প্রাপ্ত বৈধ আয়ের সঙ্গে তুলনা করে ৯৮ লাখ ১ হাজার ৩০৭ টাকা জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
এ ঘটনায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২-এর সহকারী পরিচালক মো. মনজুর আলম বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ২০ জুলাই বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় দুদকের পক্ষে আদালতে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
