গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এ আন্দোলন: এমপি দিপু
যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
চলমান শ্রমিক অসন্তোষের বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা। ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়া বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে সাড়ে ৪শ’ থেকে ৫ শ’ গার্মেন্টস কারখানা উৎপাদনে রয়েছে। ১০/১২টি কারখানাকে টার্গেট করে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করছে একটি চক্র।
তিনি বলেন, যারা আন্দোলনে নেমেছিল তারা শ্রমিক নয়। দেশকে অস্থিতিশীল করে গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এ আন্দোলন। গার্মেন্টস শিল্পের ক্ষতি হলে দেশের মানুষ, শ্রমিক ও শ্রমিকের পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে জেলায় চলমান শ্রমিক অসন্তোষের বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি কার্যালয়ে জাতীয় ও স্থানীয় সব ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়া বলেন, মজুরি বোর্ড তিন বছর পর পর হয়। এরই মধ্যে মজুরি বোর্ডের প্রথম সভাও হয়েছে। দেশের বাইরে থেকে গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এটা শ্রমিকের কোনো আন্দোলন না। এখানে শ্রমিক আন্দোলনের নামে বলা হচ্ছে ৩০ হাজার, ২০ হাজার, ২৫ হাজার, ৪০ হাজার টাকা বেতন চায়। আসলে এটা তাদের কোনো দাবি না। গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি বাংলাদেশ থেকে নেওয়ার জন্য, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য, এ সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য তারা চেষ্টা করছে। কিন্তু এটা গণতান্ত্রিক সরকার, মানুষ ভোট দিয়ে সরকার বানিয়েছে। বিগত ১৭ বছর অনেক চেষ্টা করেছেন গণতন্ত্রকে এ দেশ থেকে তাড়ানোর জন্য, এ দেশের শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য, শিক্ষাকে ধ্বংস করার জন্য কিন্তু পারেন নাই। এ গার্মেন্টস শিল্পের সঙ্গে নানা ভাবে অনেকেই জড়িত। গার্মেন্টসের ক্ষতি মানে মালিকের ক্ষতি না, দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করা। আমরা কোনো অবস্থায় এ শিল্পের ক্ষতি হতে দেব না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিকেএমইএ'র সহ-সভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের সাবেক সভাপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।

-6aeca04993012.jpg)