Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র বাতিলের দাবি রাজশাহী শিক্ষকদের

Advertisement

Icon

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০১৯, ০৬:৫৫ পিএম

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র বাতিলের দাবি রাজশাহী শিক্ষকদের

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন জাতীয় শিক্ষক-কর্মচারী ফ্রন্টের রাজশাহীর আহ্বায়ক শফিকুর রহমান বাদশা

Advertisement

অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত একটি পরিপত্র বাতিলের দাবি জানিয়েছেন রাজশাহীর শিক্ষকরা।

সোমবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এ দাবি জানান। জাতীয় শিক্ষক-কর্মচারী ফ্রন্টের রাজশাহী জেলা শাখার ব্যানারে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি জারি করা এ পরিপত্রটিকে ‘শিক্ষক স্বার্থবিরোধী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন শিক্ষকরা।

রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম কলেজে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন ফ্রন্টের জেলার আহ্বায়ক শফিকুর রহমান বাদশা। তিনি নতুন পরিপত্র বাতিলের পাশাপাশি ২০১০ সালের শিক্ষানীতির আলোকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানান।

শফিকুর রহমান বাদশা বলেন, বর্তমান পরিপত্রে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেতে শুধুমাত্র উচ্চমাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ এবং ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ আবেদন করতে পারবেন। কোনো শিক্ষকেরই আবেদন করার যোগ্যতা নেই। অথচ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিধান অনুযায়ী, কলেজে ১৫ বছর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকলেই অধ্যক্ষ পদের জন্য আবেদন করা যায়। তারা পরিপত্র বাতিল করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিধান চালু রাখার দাবি জানাচ্ছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিপত্রে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সহকারী প্রধান শিক্ষক ও জুনিয়র প্রধান শিক্ষক আবেদন করতে পারবেন। আগের পরিপত্রে ১২ বছর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকলেই প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারতেন। বর্তমান পরিপত্রের কারণে অনেক অভিজ্ঞ শিক্ষক প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন না।

এদিকে বর্তমান সংশোধনীতে উচ্চমাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ ও ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে সহকারী অধ্যাপক হওয়া বাধ্যতামূলক করায় অনেক যোগ্য শিক্ষক ২৫-৩০ বছর প্রভাষক পদে চাকরি করেও আবেদন করতে পারবেন না। অন্যদিকে নতুন প্রতিষ্ঠানে ৮ বছরে সহকারী অধ্যাপক হয়ে ১২ বছর চাকরি করে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে আবেদন করা যাবে। এটা কখনোই যুক্তিসংগত হতে পারে না।

তাই তারা নতুন পরিপত্র বাতিলের দাবি জানাচ্ছেন। এর পাশাপাশি তারা ২০১০ সালের পরিপত্র অনুযায়ী সহযোগী অধ্যাপকের পদে পদোন্নতি এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনুপাত প্রথা বাতিলের দাবি জানান। অনুপাত প্রথা বাতিল করা হলে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সব জটিলতার অবসান হবে বলে তারা মনে করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফ্রন্ট্রের জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল বারী, অধ্যক্ষ রাজকুমার সরকার, আবদুর রাজ্জাক, মজিবর রহমান, অধ্যক্ষ জুলফিকার জুলফিকার আহমেদ গোলাপ, অধ্যক্ষ আলমগীর মালেক, অধ্যক্ষ এসএম রেজাউল ইসলাম প্রমুখ।

Advertisement

শিক্ষা মন্ত্রণালয়

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম