হরিণের সঙ্গে এ কেমন নিষ্ঠুরতা!

  রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ২১ মে ২০১৯, ১৮:০৫ | অনলাইন সংস্করণ

জনতার হাতে আটক চিত্রা হরিণ
জনতার হাতে আটক চিত্রা হরিণ

জুটি বেঁধে হরিণ দুটি লোকালয়ে চলে আসে। এসেই মানুষের চোখে পড়ে। এতে বিপত্তি বাড়ে! হরিণ দুটিকে ধরার জন্য লোকজন মরিয়া হয়ে ওঠে। ধাওয়া খেয়ে একটি হরিণ বনে পালিয়ে যায়। অপরটি অনেক লোকজনের হাতে ধরা পড়ে।

খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় হরিণটিকে উদ্ধার করে বন বিভাগ। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। অবমুক্ত করার আগেই হরিণটি মারা যায়।

মঙ্গলবার পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের দারভাঙা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক জানান, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ওই ইউনিয়নের দারভাঙা গ্রামের লোকজন লোকালয়ে দুটি চিত্রা হরিণ দেখতে পায়। এরপরই তারা হরিণ দুটিকে ধরতে অতিউৎসাহী হয়ে ওঠে। একপর্যায় বেশ কিছু লোকজন হরিণ দুটিকে ধাওয়া করলে একটি পার্শ্ববর্তী নয়ারচর বনে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। অপরটি অনেক ধস্তাধস্তির পর লোকজনের হাতে ধরা পড়ে।

পরে তারা রশি দিয়ে হরিণটিকে গাছের সঙ্গে বেঁধে উল্লাস করে। বিষয়টি জানাজানি হলে সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে বন বিভাগের সদস্যরা হরিণটিকে অহতাবস্থায় উদ্ধার করে। পরে অবমুক্ত করার জন্য পা বেঁধে ট্রলারযোগে সোনারচর অভয়ারণ্যে নেয়ার পথে ওই হরিণটি মারা যায়।

এলাকাবাসীর ধারণা, চরকুকরি-মুকরি কিংবা সোনারচর অভয়ারণ্য থেকে হরিণ দুটি লোকালয়ে আসতে পারে।

বন বিভাগের সোনারচর ক্যাম্পের বিট কর্মকর্তা প্রণব কুমার মিত্র বলেন, ‘আমরা শুনছি দুটি হরিণ লোকলয়ে চলে আসে। লোকজন ধাওয়া করলে নয়ারচর বনে একটি পালিয়ে যায়। আর আরেকটি ধাওয়া খেয়ে লোকজনের হাতে ধরা পড়ে। ধাওয়ার কারণে হরিণটি অসুস্থ হয়ে হিট-স্ট্রোক করে মারা যেতে পারে।’

এ ব্যাপারে বন বিভাগের চরমোন্তাজ রেঞ্জ কর্মকর্তা অমিতাভ বসু বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে পানি বেড়ে যাওয়ায় স্রোতে ভেসে হরিণটি লোকালয়ে চলে আসে। এখন আমরা মারা যাওয়া হরিণটিকে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে ময়নাতদন্ত করাবো। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ কো হবে।’

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×